Home / খবর / জেলায় জেলায় / জলপাইগুড়িতে ভোট দিতে গিয়ে অসুস্থ ভোট কর্মী, নাক দিয়ে রক্তপাত

জলপাইগুড়িতে ভোট দিতে গিয়ে অসুস্থ ভোট কর্মী, নাক দিয়ে রক্তপাত

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: আচমকাই নাক দিয়ে রক্তপাত। ভোট দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়লেন জনৈক ভোট কর্মী। বুধবার এই ঘটনা ঘটে শহরের ফনীন্দ্রদেব ইন্সটিটিউটে। এই ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়ায় ওই ভোট প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে।

বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনেই পোলিং অফিসারদের দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। জেলার একাধিক এলাকা থেকে ফনীন্দ্রদেব প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিতে আসেন ভোটকর্মীরা। প্রশিক্ষণ পর্বের শেষে ভোটকর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ব্যবস্থাও করা হয় জেলা নির্বাচনী দফতরের তরফে। এই ভোটগ্রহণ কে কেন্দ্র করে সিসি ক্যামেরা, কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন-সহ একগুচ্ছ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়ান জনৈক ভোটকর্মী রোটন মুণ্ডা। তিনি পূর্ত দফতরে কর্মরত বলে জানা গিয়েছে। লাইনে দাঁড়ান অবস্থায় হঠাৎই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার নাক দিয়ে গলগল করে বের হতে থাকে রক্তও। তিনি বসে পড়েন স্কুল ভবনের সিঁড়িতে। ঘটনার জেরে সাময়িক চাঞ্চল্য ছড়ায়। লাইন ছেড়ে ওই ভোটকর্মীর পাশে দাঁড়ান অনেক ভোটকর্মীই।

খবর পেয়ে ওই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে থাকা আশাকর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা করান। ছুটে আসেন পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও।

ওই কেন্দ্রে প্রশিক্ষণ নিতে আসা এক ভোটকর্মী কৌশিক দে বলেন, “উনি লাইনে দাঁড়িয়ে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। আশাকর্মীরা প্রাথমিক চিকিৎসা করলেও সেরকম চিকিৎসা সরঞ্জাম এই কেন্দ্রে ছিল না। অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হলেও সময়মতো আসেনি।” ওই কেন্দ্রে নিরাপত্তা কড়া থাকলেও স্বাস্থ্য পরিষেবার ঘাটতি ছিল বলে অভিযোগ ভোটকর্মীদের একাংশের। সমর্থিত সূত্রের খবর, ময়নাগুড়ি ও ধূপগুড়ি বিধানসভা এলাকায় যেসব কর্মী ভোট নেবেন তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় ফনীন্দ্রদেব ইন্সটিটিউট-সহ একাধিক কেন্দ্রে। ভোট -প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ভোটকর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান। সে সময়েই লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পরে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে পাঠানো হয় তাকে। প্রশাসনের তরফে বিষয়টি দেখা হচ্ছে বলে খবর।

ভোটকর্মীদের নিয়ে গঠিত এক অরাজনৈতিক মঞ্চের তরফে জয়দীপ রায় বলেন, “ভোট প্রক্রিয়া চলাকালীন নিরাপত্তার পাশাপাশি ভোটকর্মীদের শারীরিক পরিস্থিতির ওপরেও সমান নজর দেওয়া উচিত কমিশনের। আজ খারাপ কিছুওতো হতে পারত। আশা করবো, এ বিষয়ে কমিশন পদক্ষেপ করবে।”

ছবি: বুবাই শীল।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *