Home / খবর / জেলায় জেলায় / বারুইপুরে বস্তাবন্দি খুনের কিনারা, গ্রেফতার প্রেমিক ও দাদা

বারুইপুরে বস্তাবন্দি খুনের কিনারা, গ্রেফতার প্রেমিক ও দাদা

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, বারুইপুরঃ বারুইপুরে বস্তাবন্দী খুনের ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করল পুলিশ। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত প্রেমিক ও তার দাদাকে। প্রেমের সম্পর্কে টানাপোড়েন থেকেই এই নৃশংস খুন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়দিঘী থানার বাসিন্দা রুকসানা খাতুনের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় মেহেরাজ হোসেনের। অভিযুক্ত মেহেরাজ বিবাহিত হলেও সেই তথ্য গোপন রেখেছিল। বারুইপুরের পদ্মপুকুর এলাকায় দাদা মেহেবুব হোসেনের সঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকত সে।

রবিবার বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগে রুকসানাকে ডেকে আনে মেহেরাজ। তদন্তে জানা গেছে, বিয়ের চাপ ও আর্থিক লেনদেন নিয়ে দু’জনের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেই বচসার এক পর্যায়ে মানিব্যাগে থাকা ব্লেড দিয়ে রুকসানার গলা কেটে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর দেহ বস্তাবন্দী করে ঘরের মধ্যেই রেখে দেওয়া হয়।

রাতে দাদা বাড়ি ফিরলে তাকে পুরো ঘটনা জানানো হয়। পরে একটি গাড়িতে করে ধোপাগাছি এলাকার একটি জলাশয়ে দেহ ফেলে দেওয়া হয়। সোমবার সকালে স্থানীয়রা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় এবং তদন্ত শুরু করে।

সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ গাড়িটি শনাক্ত করে। ঘটনার পর অভিযুক্তের দাদা পরিবার নিয়ে বকখালিতে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে ফেরার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। অন্যদিকে, মেহেরাজকে বড়বাজারের একটি লুঙ্গি কারখানা থেকে ডেকে এনে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ইতিমধ্যেই খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। রুকসানার দাদার লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। অভিযুক্ত দু’জনকে বৃহস্পতিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়েছে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *