দুর্গাপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় কয়েকটি হোটেল ও লজকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ, যৌনচক্র পরিচালনা এবং নাবালিকাদের শোষণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে দাবি, বাসস্ট্যান্ডের আশপাশে কয়েকটি হোটেল, এবং লজে ঘণ্টাভিত্তিক রুম ভাড়া দিয়ে বেআইনি কর্মকাণ্ড চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, অল্পবয়সী ছেলে-মেয়ে থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সের মানুষকে ঘণ্টাভিত্তিক রুম ভাড়া দেওয়া হয়। শেখ টোটন, সঞ্জয় এবং রাজা নামে তিন ব্যক্তি এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলেও অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, শেখ টোটন রায়ডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা, তার আদি বাড়ি বীরভূমের মোল্লারপুরে। তার আরও একটি বাড়ি আছে ব্যারাকপুরে।
সে দুর্গাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ‘ মন্ডল ‘ নার্সিংহোমের সামনে একটি হোটেলের মালিক। ওই হোটেলেই চলে মধুচক্রের ব্যবসা।
অন্যদিকে, বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ফুলবাজারের সামনে একটি লজে রাজা নামে এক ব্যক্তি, ওই একইভাবে মধুচক্রের ব্যবসা চালায়। রাজার আরও একটি লজ রয়েছে, বড়জোড়া এলাকায় তারা সিং ব্রিজ পেরিয়ে ডান দিকে।
এছাড়া, বাসস্ট্যান্ড এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর এর ঘনিষ্ঠ সঞ্জয় নামে এক যুবক এই মধুচক্রের মূল মাস্টার। এই সঞ্জয় বিভিন্ন জায়গা থেকে মেয়েদের নিয়ে এসে ওই হোটেল এবং লজে সাপ্লাই করে বলে অভিযোগ।
এলাকাবাসীর একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি চললেও প্রশাসনের কড়া নজরদারি বা বড়সড় অভিযান চোখে পড়েনি। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। তাঁদের দাবি, যদি নাবালিকা শোষণ বা মানবপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগের সত্যতা থাকে, তবে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
পুলিশের পক্ষ থেকেও এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে স্থানীয় মহলের দাবি, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হোক।










