Home / খবর / জেলায় জেলায় / নিরাপদ চা উৎপাদনে জোর, রাজগঞ্জে শুরু ‘সেফ টি প্রোগ্রাম’

নিরাপদ চা উৎপাদনে জোর, রাজগঞ্জে শুরু ‘সেফ টি প্রোগ্রাম’

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: নিরাপদ চা উৎপাদন এখন আর বিকল্প নয়। চা শিল্পকে টিকিয়ে রাখার অন্যতম শর্তই এটা। এমনটাই মনে করছেন বটলিফ ফ্যাক্টরিগুলির সংগঠন ‘নর্থ বেঙ্গল টি প্রোডিউসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের’ সদস্যরা। ক্ষুদ্র চা চাষকে ফের পুনরুজ্জীবন দিতে রাজগঞ্জে শুরু হল ‘সেফ টি প্রোগ্রাম’।

জটিয়াকালীতে এ’দিনের কর্মসূচিতে নিষিদ্ধ কীটনাশক বন্ধের ডাক দিয়েছেন আয়োজকের। এদিনের কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নীরজ পোদ্দার, ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী-সহ অন্যরা।চাষে নিষিদ্ধ কীটনাশক, বিশেষ করে ‘মনোক্রোটোফস’-এর ব্যবহার অবিলম্বে বন্ধ করার ওপর এদিন জোর দেওয়া হয়। নীরজ পোদ্দার বলেন, ‘এই রাসায়নিকের ব্যবহার চলতে থাকলে উত্তরবঙ্গের চায়ের বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ক্ষতিকারক রাসায়নিকের ব্যবহারের কারণে বিশ্ববাজারে উত্তরবঙ্গের চায়ের গ্রহণযোগ্যতা কমছে বলেও দাবি। আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান চা চাষিদের কাছে পৌঁছে দিতে নিয়মিত কর্মশালা ধারাবাহিকভাবে চলবে বলে জানান তিনি। এর পাশাপাশি, হাতেকলমে প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা থাকবে বলে দাবি তাঁর। বিশেষজ্ঞরা এদিন চাষিদের বিজ্ঞানসম্মত চাষের কৌশল, শুধুমাত্র অনুমোদিত কীটনাশক ব্যবহার, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবহার এবং শ্রমিক সুরক্ষার মতো বিষয়গুলি নিয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেন। বিজয় গোপাল চক্রবর্তী বলেন, ‘বাজারের এই কঠিন পরিস্থিতিতে যেসব ফ্যাক্টরি ‘সেফ টি প্রোগ্রামে’ অংশ নিয়ে গুণমান বজায় রাখবে তাদের বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করা হবে। ২০২৬ সালের ‘টি কনেক্ট’ অনুষ্ঠানে চা পর্ষদ ও চা ক্রেতাদের উপস্থিতিতে সেই সম্মান দেওয়া হবে।’

এদিন কমবেশি ৫০০ ক্ষুদ্র চা চাষি এবং ৪০টি বটলিফ ফ্যাক্টরির মালিক-ম্যানেজারেরা এই কর্মসূচিতে ছিলেন। অনুষ্ঠানে সহযোগিতার হাত বাড়ায় এক বহুজাতিক সংস্থাও।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *