বিধানসভা নির্বাচনে বড় পরাজয়ের ২৮ দিন পর প্রথমবার রাজপথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে আয়োজিত ধর্না কর্মসূচি থেকে সংবিধান হাতে তুলে ধরে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। একই সঙ্গে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে লড়াই জারি রাখার বার্তা দেন। তবে তাঁর এই কর্মসূচিকে ঘিরে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বলেন, “আমি কারও সুদিনে না-হোক, দুর্দিনে আছি।” বিজেপিকে নিশানা করে তিনি আরও বলেন, “বিজেপি বাদে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক আছে। তবে বিজেপির যাঁরা সমস্যায় পড়েছেন, তাঁদের পাশেও থেকেছি। জিয়েঙ্গে তো বিজেপি কো হটাকে যায়েঙ্গে।” তাঁর বক্তব্য, গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষার লড়াই চলবে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার হুগলির তারকেশ্বর সফরে গিয়ে মমতার কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তিনি দাবি করেন, ধর্নামঞ্চে লোকসমাগম অত্যন্ত কম ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “একজন ছবি পাঠিয়েছিল। এত দুরবস্থা আমি জানতাম না। দেড়শো লোকও আসেনি। সাংবাদিকরাই ছিলেন প্রায় দু’শো জন। সাংবাদিকেরা না থাকলে অবস্থা আরও করুণ হত।”
তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, রাজ্যসভা ও লোকসভার বহু সাংসদের মধ্যে মাত্র তিন জন সাংসদ এবং ছ’জন বিধায়ক ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “দলটার অবস্থা ফলতা উপনির্বাচনের ফলাফলের মতো হয়ে গিয়েছে।”










