জলপাইগুড়ি: প্রথমে বদলি। পরে সেই নির্দেশ বাতিল। ফের নিজেরই বদলির দিনে ফের জেলা জুড়ে অস্থায়ী শিক্ষকদের মূল স্কুলে ফেরার নির্দেশ দেলেন ডিপিএসসি-র সচিব তথা ডিআই প্রাথমিক শ্যামলচন্দ্র রায়। ওই দিন রীতিমতো পুলিশি প্রহরা ও এক সংগঠনের ছত্রছায়ায় তিনি ডিপিএসসি ছাড়েন অর্ডার জারি করে। তার এই ভূমিকায় প্রাথমিকে পঠনপাঠন নিয়ে সমস্যায় জলপাইগুড়ি রাষ্ট্রীয় উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। এই বিদ্যালয় থেকে মূল স্কুলে ফিরে যেতে হচ্ছে ১২ জনের মধ্যে সিংহভাগ শিক্ষিকাকে। শিশুদের পঠনপাঠন ও মিড সেশনের শেষ পর্বে এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ অভিভাবকদের। তাদের দাবি, আগে শিক্ষিকা নিয়োগ করা হোক, পরে বদলি। স্কুল গেটের বাইরে বিক্ষোভও দেখান তারা।
শনিবার এই খবর পেয়ে প্রাথমিক বিভাগের পড়ুয়াদের অভিভাবকেরা স্কুল কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয়। উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলেও সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খোলেননি প্রধান শিক্ষিকা। সমর্থিত সূত্রের খবর, ওই স্কুলে পিএসসি নিযুক্ত শিক্ষিকা কম থাকায় ডিপিএসসি থেকে শিক্ষিকা এনে প্রাথমিকের পঠনপাঠন চলছিল। মিড সিজনে এ ধরণের সিদ্ধান্ত আসায় আতান্তরে পড়েন সবাই। অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষিকাদের বদলি সরকারি নিয়মে হচ্ছে, এতে তাদের কিছু বলার নেই কিন্তু এভাবে স্কুল ফাঁকা করে শিক্ষিকাদের বদলি হলে পড়াশোনা-সহ সামগ্রিক ভাবে শিশুদের ক্ষতি হবে। শিশুমনেও আঘাত লাগবে। তাদের দাবি, আগে ওই পদগুলোয় শিক্ষিকা নিয়োগ হোক, তারপরে প্রয়োজনে বদলি করা হোক অন্য শিক্ষিকাদের। এবিষয়ে প্রশাসন ও শিক্ষা দফতরের দ্বারস্থ হতে চলেছেন অভিভাবকেরা বলে খবর।


জনৈক অভিভাবক সম্রাট চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনার কথা জানতে পেরে আমরা স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হই। আমরা চাই, আগে ‘রিক্রুট, পরে রিলিজ।”









