Home / খবর / জেলায় জেলায় / কম পড়ুয়ার স্কুলে মিড-ডে মিলের সমস্যা, সমাধানের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

কম পড়ুয়ার স্কুলে মিড-ডে মিলের সমস্যা, সমাধানের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: কোনও স্কুলে মাত্রাতিরিক্ত পড়ুয়া। কোথাও আবার আঙুলে গোনা যায় পড়ুয়ার সংখ্যা। মিডডে মিল চালাতে আর্থিক বিষয়ে সমস্যায় পড়ছে অপেক্ষাকৃত কম পড়ুয়া-সম্পন্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখার আশ্বাস দিলেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণ। তাঁর কথায়, ইসকনকে ‘পাইলট প্রোজেক্ট’ দেওয়া হয়েছে। সফল হলে বিস্তারের চিন্তাভাবনা করব। বিগত ১৫ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থার কী হাল হয়েছে সবাই জানেন। এর পাশাপাশি, ছাত্র স্বার্থের পাশাপাশি, শিক্ষকদের স্বার্থও এই অরাজনৈতিক সংগঠন দেখে আসছে। শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে মত বিনিময় হল। বর্তমান সরকারের শিক্ষা বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গীর কথাও তাদের সামনে তুলে ধরলাম। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের (স্কুল শিক্ষা) সম্মেলনে এসে এ কথাই বললেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মণ। এদিন তার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন, রাজ্য সম্পাদক বিদ্যুৎ মজুমদার, অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক অসীম দাস। বক্তব্য রাখেন তাঁরাও।

রাস্ট্র হিতে শিক্ষা, শিক্ষা হিতে শিক্ষক, শিক্ষক হিতে সমাজ- এই ভাবধারা অনুসরণ করে অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের (স্কুল শিক্ষা) ১১ তম বার্ষিক জেলা সম্মেলন আয়োজিত হল শহরের সরোজেন্দ্র দেব রায়কত কলাকেন্দ্র্রে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও জাতীয়তাবাদী সঙ্গীতের মাধ্যমে সম্মেলনের সূচনা হয়। সম্পাকীয় প্রতিবেদন পাঠ করে সম্পাদক বিষ্ণু তন্ত্র জানান, ১৯৮৮ সালে স্থাপিত এই হাসঙ্গ সর্ব বৃহৎ অরাজনৈতিক শিক্ষক মঞ্চ। বর্তমানে দেশের ২৮টি রাজ্য ও ৮ টি কেন্দ্র শাসিত এলাকায় এর শ্রীবৃদ্ধি ঘটছে। গতবার ‘আমার বিদ্যালয়, আমার তীর্থ’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। বৃক্ষরেপণ-সহ সামাজিক কাজও করা হয়। ‘টেট’ সমস্যার সমাধানে মুখ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকেও স্মারকলিপি দিয়ে সমাধানসূত্র বের করার আবেদন করা হয়। আয়োজকেরা জানান, কর্তব্যবোধ দিবস, গুরুবন্দন দিবস, সংগঠনাত্মক কাজ-সহ সারা বছর আমাদের কর্মসূচি চলে। ভারতভূমি শক্তিশালী হোক এটাই আমরা চাই।

রাজ্য সম্পাদিকা কাকলি মণ্ডল বলেন, ‘আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জাতীয়তাবোধে উদ্ধুদ্ধ হয়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুক। প্রাক-প্রাথমিক থেকে বিশ্ব বিদ্যালয় পর্যন্ত এই লক্ষ্যেই কাজ করছেন আমাদের সদস্যরা। তিনি আরও জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁস-সহ স্পর্শকাতর বিষয় গুলিতে কেন্দ্র ভালো পদক্ষেপ নিয়েছে।”

এদিনের কর্মসূচিতে সরোজেন্দ্র দেব রায়কত কলাকেন্দ্রে তিল ধারণের জায়গা ছিল না। সম্মেলন চলাকালীন হাজির হন মন্ত্রী আনন্দময় বর্মণ, জলপাইগুড়ি বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী প্রমূখ। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার হাল ও পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা করেন তারা।

জনগণনায় যুক্ত শিক্ষক দের দিয়ে প্রাত বিভাগে স্কুল চালানোর আবেদনের বিষয়টি ভেবে দেখার আবেদন একাংশ শিক্ষক করায় মন্ত্রী দীপক বর্মণ বলেন, “জনগণনা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ওদের আবেদনটি আমরা ভেবে দেখবো।” পড়ুয়াদের জন্য ফেস রকগনিশনের কথাও বলেন মন্ত্রী।

এ দিন বিকেলে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি ডিআই অফিস থেকে সমাজপাড়া মোড় পর্যন্ত মিছিল করে শিক্ষা সংস্কৃতি সুরক্ষা মঞ্চ- জলপাইগুড়ি জেলা শাখা। পরে পথসভা হয় সমাজপাড়ায়।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *