অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: সালটা আলাদা, তবে এক তারিখেই পিতা-পুত্রের জন্মদিন। এই দুই কৃতী পুরুষের জন্মদিন একযোগে পালিত হল সোমবার। এদিন অরবিন্দনগর উত্তরবঙ্গ লোকসংস্কৃতি সমিতির তরফে সরোজেন্দ্র দেব রায়কত কলাকেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কলাকেন্দ্রের চত্বরে থাকা রাজর্ষি জগদিন্দ্রদেব রায়কতের ১৬৩ তম ও সরোজেন্দ্রদেব রায়কতের ১২৯ তম জন্মদিবস উপলক্ষ্যে তাদের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়, সম্পাদক উমেশ শর্মা সহ অন্যরা। বিশেষ অতিথি হিসাবে হাজির ছিলেন প্রাক্তন সাংসদ বিজয় চন্দ্র বর্মণ, প্রাক্তন বিধায়ক গোবিন্দ রায়, তপন কুমার চক্রবর্তী, আইনজীবি শান্তা চট্টোপাধ্যায় প্রমূখ। পরে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন জলপাইগুড়ির সাংসদ ডা. জয়ন্ত রায় ও বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। এই দুই কৃতী সন্তানকে শ্রদ্ধা জানিয়ে জলপাইগুড়ি জেলার উন্নয়নে তাঁদের অবদানের কথা তুলে ধরেন বক্তারা। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গেও ভালো যোগাযোগ ছিল জগদিন্দ্রদেব রায়কতের। রাজনীতি ছাড়াও শহর তথা জেলার সমাজ-সংস্কৃতির উন্নয়নেও তাঁর ভূমিকা ছিল। অপরদিকে সংস্কৃতি জগতে শহরের উজ্জ্বল নক্ষত্র ছিলেন সরোজেন্দ্র দেব রায়কত। এদিন আয়োজকদের পক্ষ থেকে সাংসদ ও বিধায়ককে কিছু প্রস্তাবও দেওয়া হয়।


প্রাবন্ধিক উমেশ শর্মা বলেন ও প্রাক্তন সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মণ বলেন, “জলপাইগুড়ি রাজবাড়ির এই দুই মহান ব্যক্তিত্বের জন্মদিন যথাথভাবেই পালন করা হচ্ছে। এই জেলায় প্রথম রাজবংশী হিসেবে বিলেতে পড়াশোনা করেন জগদিন্দ্রদেব রায়কত। রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে এঁদের অবদান ভোলার নয়।”

সাংসদ জয়ন্ত রায় বলেন, “কিছু প্রস্তাব ওনারা দিলেন। চিলা রায়, মনীষী পঞ্চানন বর্মা-সহ বিশিষ্টজনেদের মূর্তি এক জায়গায় প্রতিষ্ঠা করা হলে সবাই শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। চেষ্টা করব। এতদিন অনেক কিছুই হয়নি, এবারে হবে।”










