Home / খবর / জেলায় জেলায় / নিখোঁজ মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, নেপথ্যে চিতাবাঘ!

নিখোঁজ মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার, নেপথ্যে চিতাবাঘ!

জলপাইগুড়ি: নিখোঁজ মধ্যবয়সী মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য। হপ্তাখানেক ধরেই নিখোঁজ ছিলেন ওই মহিলা। বৃহস্পতিবার ওই নিখোঁজ মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হল। ঘটনাটি ঘটেছে মাল ব্লকের ডামডিম জিপি-র কুমলাই চা বাগানের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া চৈতি নদীর পাশে ঝোপে ঘেরা বাঁশঝাড় থেকে। মৃতার নাম ফুলমনি মুন্ডা। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে দাবি। ঘটনার খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্তও। স্থানীয়দের অনুমান চিতাবাঘের কবলে পড়েছিলেন ওই মহিলা।

উদ্ধার মৃতদেহ।

গত ৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়ে যান ফুলমনি। অনেক রাত হয়ে গেলেও ফুলমনি মুন্ডা বাড়িতে আর ফিরে আসায়। পরিবারের লোকেরা আশেপাশের এলাকা সহ নিকট আত্মীয়ের বাড়িতে খোঁজ করেও ফুলমনিকে পাওয়া যায়নি। এরপরই বুধবার ফুলমনির মেয়ে আলিসা মুন্ডা মাল থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। চাবাগানের চৈতি নদীর পাশে চা বাগান সংলগ্ন একটি বাঁশঝোপের মধ্যে ফুলমনির খুবলে খাওয়া দেহ উদ্ধার করল মাল থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্তও। এলাকাবাসী ও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এই এলাকায় চিতাবাঘের আনাগোনা রয়েছে। এর আগেও গৃহপালিত পশু চিতাবাঘের হামলার শিকার হয়েছে। যেভাবে ওই মহিলার ঘাড়ে কামড় দেওয়ার দাগ, এমনকি সারা শরীরে আঁচড়ের স্পষ্ট ছাপ ও হাতের কবজি ও পায়ের গোড়ালি যেভাবে ছিঁড়ে খেয়েছে তা চিতাবাঘের আক্রমণের ফলেই হওয়া সম্ভব। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *