অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ঐতিহ্যবাহী পুকুর সংস্কারের কাজে অনিয়মের অভিযোগ। সাময়িক ভাবে কাজ বন্ধ করে ঠিকাদারকে ডেকে পাঠালেন কাউন্সিলার। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে।
অবশেষে দাবিপূরণ। বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে জলপাইগুড়ি হাইস্কুল লাগোয়া স্মৃতিবিজরিত পুকুরটির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের কাজে হাত দিয়েছে পুরসভা। খরচ ধরা হয়েছে ৫৫ লক্ষ টাকা। এই কাজের শিডিউল কাউন্সিলারকে জানাননি ঠিকাদার বলে অভিযোগ। এর পাশাপাশি, পুকুরের মাটি স্কুল মাঠে না ফেলে ট্রাক্টরে ভরে অন্যত্র বিক্রি করার অভিযোগও উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। এ দিন ক্ষিপ্ত হয়ে কাজ বন্ধ দেন কাউন্সিলার। বরাতপ্রাপ্ত ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ না করা গেলেও ঘটনাস্থলে থাকা ট্রাক্টর চালক রুমন হক বলেন, “ঠিকাদারের কথামতো আমরা দেউনিয়া পাড়া, কোরানিপাড়ায় মাটি ফেলে আসছি।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কারের অভাবে মজে যেতে বসেছে। মশার আঁতুরঘর হয়ে ওঠে এই পুকুরটি। এর আগে মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব বেড়েছিল শহর ও লাগোয়া এলাকায়। সে সময় রীতিমতো আতঙ্কে ছিলেন স্থানীয়রা। সম্প্রতি এই ঐতিহ্যবাহী পুকুরটি সংস্কারের কাজে হাত দেয় পুরসভা। পুকুর থেকে মাটি তোলা হচ্ছে। ওই মাটি এলাকার দুটো হাইস্কুলের মাঠে ফেলতে বলেছিলেন কাউন্সিলার। ঠিকাদার কথা শোনেননি।
কাউন্সিলার বলেন মনীন্দ্র নাথ বর্মণ বলেন, “এই এলাকার দুটি স্কুল মাঠেরই অবস্থা খারাপ। পড়ুয়ারা খেলতে পারছে না। আমি ঠিকাদারকে বলেছিলাম স্কুল মাঠে মাটি ফেলতে। এর পাশাপাশি ‘ওয়ার্ক শিডিউল’ দেখানোর কথাও বলেছিলাম। উনি কোনও কথাই শোনেননি। আজ আমার জিজ্ঞাসাবাদে উনি স্বীকার করেছেন যে, পুকুরের মাটি বিক্রি করছেন। আমার এলাকার মাটি এই এলাকারই উন্নয়নের কাজে আগে ব্যবহৃত হবে।”
পুরো বিষয়টি পুর কর্তৃপক্ষকে জানাতে চলেছেন কাউন্সিলার।










