এ দিন টাউন স্টেশন চত্বরে মঞ্চ তৈরি করে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নৃত্যবিতান কত্থক কেন্দ্রের শিল্পীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি হাজির ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী, জেলা সাধারণ সম্পাদক দধিরাম রায়, টাউন মণ্ডলের সভাপতি মনোজ শা, বিজেপি নেতা শ্যাম প্রসাদ-সহ অন্যরা। এডিআরএম আরকে সিং বলেন, প্লাটফর্মের সম্প্রসারণ-সহ একাধিক উন্নয়নের কাজ হয়েছে এই স্টেশনে। আরও কাজ হচ্ছে। সংসদীয় অধিবেশন থাকায় এদিনের অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি জলপাইগুড়ির সাংসদ চিকিৎসক জয়ন্ত কুমার রায়। অনুষ্ঠান মঞ্চে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রী আমাদের দাবিকে মান্যতা দিয়েছেন তাদের ধন্যবাদ। এই দুই ট্রেন চালু হওয়ার ফলে স্থানীয় মানুষ ও কৃষি-ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন। এ দিন সবুজ পতাকা নেড়ে ট্রেনের সূচনা করেন রেলকর্তা ও জন প্রতিনিধিরা।
রেলদপ্তর সূত্রের খবর, হলদিবাড়ি থেকে ছেড়ে বামনহাটের ট্রেনটি জলপাইগুড়ি স্টেশনে ঢুকবে সকাল ৫টা বেজে ৫ মিনিটে। সন্ধ্যায় সাড়ে সাতটায় ফের এই স্টেশনে ঢুকবে ট্রেনটি। অপরদিকে বালুরঘাটগামী ট্রেনটি হলদিবাড়ি থেকে ছেড়ে জলপাইগুড়ি স্টেশনে ঢুকবে ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে। রাত ৮টা পঞ্চান্ন মিনিটে ফিরে আসবে ট্রেনটি।

বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভোটের মুখে উদ্বোধনের বিষয়টি ঠিক নয়। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে রেলমন্ত্রকসহ সব দপ্তরই বিকশিত ভারত গড়তে একযোগে কাজ করে চলেছে। এখানকার সাংসদ রেল যোগাযোগের উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। এদিকে রাজ্য সরকারকে ‘স্পিড ব্রেকার’ সরকার বলে কটাক্ষও করেন বিধায়ক।










