বিহারে এনডিএ ফের বিপুল জয়ে ক্ষমতায় ফিরছে। জাতিভিত্তিক সমীকরণ ও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের জনপ্রিয়তা এই জয়ের মূল ভরসা। বিপরীতে মহাগঠবন্ধনের ভরাডুবি হয়েছে—তাদের আসনসংখ্যা নেমে এসেছে সর্বনিম্ন পর্যায়ে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২৪৩ আসনের বিধানসভায় এনডিএ এগিয়ে আছে ২০০-র বেশি আসনে। মহাগঠবন্ধন পিছিয়ে এখন মাত্র ২৮–৩০ আসনের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “কেউ ‘MY’ (মুসলিম–যাদব) সমীকরণ বানিয়েছিল, কিন্তু এই জয় নতুন ‘MY’—মহিলা ও যুব—সমর্থনের প্রমাণ।”
এনডিএ-র এগিয়ে থাকা আসন:
- বিজেপি: ৯০
- জেডিইউ: ৮৪
- লোক জনশক্তি পার্টি (রামবিলাস): ১৯
- হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা ও রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা: ৪টি করে
অন্যদিকে মহাগঠবন্ধনের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ—
- আরজেডি: ২৬
- কংগ্রেস: ৫
- সিপিএম ও সিপিআই(এমএল): ১টি করে
পিকে বা প্রশান্ত কিশোরের জন সুরাজ পার্টি পুরোপুরি ধরাশায়ী হয়েছে—তাদের ভোট NOTA-এর চেয়েও কম। চমক দেখিয়েছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির AIMIM, সিমাঞ্চলের মুসলিম ভোটে তারা ৬ আসনে এগিয়ে।
মহাগঠবন্ধনের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তেজস্বী যাদব রাঘোপুর থেকে জিতলেও লড়াই ছিল দড়ির টানাটানির মতো কঠিন। ২০২০ সালে আরজেডি ৭৫ আসন পেয়ে বৃহত্তম দল হয়েছিল, এবার তাদের সংখ্যা এতটাই কমেছে যে বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ছে।
বিজেপি ধারাবাহিকভাবে ২০২০-র ধারা বজায় রেখেছে। যদিও জেডিইউ-এর আসন বাড়লেও বিজেপির পিছন ছুঁতে পারেনি। মহিলা ভোট ও বহুজাতির সমর্থন এনডিএ-র এই জয়কে আরও সুসংহত করেছে।










