Home / খবর / জেলায় জেলায় / স্থানীয়দের কাজের দাবিতে বেসরকারি কারখানার গেট অবরোধ, কাটমানি ও বহিরাগত নিয়োগের অভিযোগে বিক্ষোভ

স্থানীয়দের কাজের দাবিতে বেসরকারি কারখানার গেট অবরোধ, কাটমানি ও বহিরাগত নিয়োগের অভিযোগে বিক্ষোভ

দুর্গাপুর: স্থানীয় বাসিন্দাদের বঞ্চিত করে বহিরাগতদের নিয়োগ এবং কাটমানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দুর্গাপুরের নামো সগরভাঙা এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মোটা টাকার বিনিময়ে বহিরাগতদের কাজে নেওয়া হচ্ছে, অথচ এলাকার যোগ্য শ্রমিক ও যুবকদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
এই অভিযোগে এদিন কোকওভেন থানার অন্তর্গত নামো সগরভাঙা এলাকার একটি বেসরকারি স্পঞ্জ আয়রন কারখানার ৩ ও ৪ নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। আন্দোলনকারীরা কারখানার গেট আটকে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের দাবিতে সরব হন।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে দলের কিছু নেতার মদতে অর্থের বিনিময়ে বহিরাগতদের নিয়োগ করা হয়েছিল। রাজনৈতিক পালাবদলের পরও সেই প্রথা বন্ধ হয়নি। এখনও একইভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে বলে তাঁদের দাবি। এছাড়াও, কর্মরত শ্রমিকদের হঠাৎ করে কাজ থেকে বসিয়ে দেওয়া, পরিচয়পত্র বা কার্ড ‘লক’ করে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে বলে অভিযোগ ওঠে।
আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং কারখানার গেট অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। বিক্ষোভের জেরে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কোকওভেন থানার পুলিশ। পুলিশ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করে।
এদিকে, আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পালাবদল হলেও কারখানা কর্তৃপক্ষের মানসিকতার পরিবর্তন হয়নি। তাঁরা তৃণমূলের কয়েকজন নেতার (বিধান মাজি এবং অরুন ধারা)’র সঙ্গে গোপনে সম্পর্ক রেখে চলছেন এবং বিজেপি সমর্থিত কর্মীদের উপর মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে অত্যাচার চালাচ্ছেন।
তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
স্থানীয়দের কর্মসংস্থান, নিয়োগে স্বচ্ছতা এবং কাটমানি প্রথা বন্ধের দাবিতে আগামী দিনে আন্দোলন আরও জোরদার হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *