অভিষেক সেনগুপ্ত জলপাইগুড়ি: বৃহস্পতিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া শহরে। দফায় দফায় হল হাল্কা ও মাঝারি বৃষ্টি। তবে, শুক্রবার ভোরে অন্য রূপ থাকবে শহরের। ভোরের আলো ফুটতেই হাজার হাজার কন্ঠে ধ্বনিত হবে ‘বন্দেমাতরম’ গান। গিনেস রেকর্ডে উঠবে দেশের নাম, স্থান পাবে তিস্তাপারের এই সাংস্কৃতিক শহরও। অখিল ভারতীয় শিক্ষা সংস্থান ‘বিদ্যাভারতীর’ উদ্যোগে দেশব্যাপী একই সময়ে এই গানে কন্ঠ মেলাবেন কোটি কোটি মানুষ। বৃহস্পতিবার দুপুরে সামগ্রিকভাবে কর্মসূচির কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে ঘোষণা করেন আয়োজকেরা।

এদিন বিদ্যাভারতীর পদাধিকারী অরিন্দম সূর, দেবাশিস লালা, শিল্পসমিতিপাড়ার সারদা শিশুতীর্থের প্রধান আচার্য নাড়ু গোপাল দে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পদাধিকারী ললিত সিংভি-সহ অন্যরা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। দেবাশিস লালা বলেন, ‘কোনও এক সম্প্রদায়কে তোষণ করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে ‘বন্দেমাতরম’ গানটিকে সম্পূর্ণ ভাবে গাওয়া হয়নি। মানুষের মন থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টাও করা হয়েছে তদানীন্তন শাসকদলের পক্ষ থেকে। সেই গানই সম্পূর্ণতা পাবে শুক্রবার।”

নতুন প্রজন্মের কাছে এই গানের মাহাত্ম্য তুলে ধরতে শহরের নেতাজি মর্ডান ক্লাব ময়দানে এই কর্মসূচিটি পালিত হবে। সারদা শিশুতীর্থের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও আমজনতাও সামিল হবেন এই কর্মসূচিতে। আয়োজক সংগঠনের অন্যতম জেলা কার্যকর্তা অরিন্দম সূর জানান, এই মুহূর্তে দেশে ৩০ হাজার স্কুল চলছে ,ছাত্র ছাত্রী অভিভাবক, এবং প্রাক্তনী মিলিয়ে যদি একটি শিক্ষা কেন্দ্রে ১ হাজার জমায়েত হন,তাহলেও তিন কোটি দাঁড়ায় সংখ্যাটি।গিনিস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড হতে চলেছে আগামী কাল, যাতে লেখা থাকবে আমাদের প্রিয় জলপাইগুড়ির নাম।

জনৈকা অবিভাবিকা অদৃজা সেনগুপ্ত বলেন, “আগামীকাল সমবেত কণ্ঠে সম্পূর্ণ বন্দেমাতরম গাওয়া হবে আমরা মায়েরা শিশুদের সঙ্গে অংশ নেবো।”









