Home / খবর / জেলায় জেলায় / চন্দ্রচূড় মন্দিরে যেতে জীবনের ঝুঁকি, বাঁশের পাটাতন দিয়ে গারুই নদী পার হতে বাধ্য ভক্তরা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি

চন্দ্রচূড় মন্দিরে যেতে জীবনের ঝুঁকি, বাঁশের পাটাতন দিয়ে গারুই নদী পার হতে বাধ্য ভক্তরা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি

কুলটি: পবিত্র শ্রাবণ মাসে চন্দ্রচূড় মন্দিরে পুজো দিতে যাওয়া ভক্তদের চরম দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে। কুলটির সীতারামপুরের বিদাইগড় এলাকায় গারুই নদীর উপর সেতুর নির্মাণকাজ দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ হয়ে থাকায় বিপজ্জনক বাঁশের পাটাতনের উপর দিয়ে নদী পার হতে বাধ্য হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পুণ্যার্থীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আসানসোল পুরনিগমের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সীতারামপুর লোকো সংলগ্ন বিদাইগড় এলাকায় সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য গারুই নদীর উপর একটি সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনের আগেই আচমকা সেই নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কয়েক মাস কেটে গেলেও কাজ আর শুরু হয়নি। নদীর মাঝে সেতুর অসম্পূর্ণ স্তম্ভগুলি এখন কার্যত পড়ে রয়েছে।
বর্ষায় বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
শ্রাবণ মাসে চন্দ্রচূড় মন্দিরে জল ঢালতে ভক্তদের ভিড় বাড়ে। অন্যদিকে বর্ষার কারণে গারুই নদীতেও জল বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিশু, মহিলা ও প্রবীণদেরও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নড়বড়ে বাঁশের পাটাতন দিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে। সামান্য অসতর্ক হলেই বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
মন্ত্রী ও প্রশাসনের কাছে দ্রুত সেতুর কাজ শুরুর দাবি।
দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দা ও ভক্তদের মধ্যে। তাঁদের দাবি, দ্রুত গারুই নদীর উপর অসম্পূর্ণ সেতুর নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করতে হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও চন্দ্রচূড় মন্দিরে যাওয়া পুণ্যার্থীরা মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, অগ্নিমিত্রা পাল এবং প্রশাসনের কাছে হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, স্থায়ী সেতু তৈরি হলে প্রতিদিনের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত থেকে মুক্তি পাবেন এলাকার মানুষ।
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন কবে এই সমস্যার দিকে নজর দেয় এবং কবে ফের শুরু হয় দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা সেতুর নির্মাণকাজ।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *