অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: চিত্রশিল্পে বঞ্চিত উত্তরবঙ্গ বলে দাবি। অভিযোগ, বিগত আমলে ছড়ি ঘুরিয়ে এসেছে দক্ষিণবঙ্গের তদানীন্তন সরকার পোষিত শিল্পীরা। রাজ্যে পালা বদল হতেই গা ঝাড়া দিয়ে উঠেছেন উত্তরের চিত্রকরেরা। ৮ জেলার কোনও এক জায়গায় সরকারি আর্ট কলেজের দাবি তথাকথিত ব্রাত্য চিত্রশিল্পীদের। তাদের দাবি, কোনও অংশেই কম না তাঁরা । প্রয়াত অখিল নিয়োগী, নীহার মজুমদার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও অবদান রেখেছেন। বছে আরও অনেক প্রখ্যাত শিল্পী। ইতিমধ্যেই উত্তরের ৬৫০ চিত্রকর এসেছেন এক ছাতার তলায়। তাদের আশা, শুভেন্দু-সরকার তাদের প্রাপ্য সম্মান দেবেন। গেরুয়া শিবিরের একাধিক নেতাও সহমর্মিতা পোষণ করেছেন। চিত্রকরেরা গড়ে তুলেছেন জেলা কমিটিও।২৯ মে কমিটির সদস্যরা শহরের এক ভবনে মিলিত হয়ে আগামীর রূপরেখা স্থির করবেন বলে সূত্রের খবর।
তৃণমূল জমানায় সংস্কৃতির জগত হাতে রেখেছিল গঙ্গাপাড়ের শিল্পীরা। যোগ্যতা থাকলেও উত্তরের ব্রাত্যজনের সেভাবে স্থানই হয়নি। নাম কে ওয়াস্তে দু’চারজনকে দলে রেখে গুরুত্বহীন করে রাখা হয় বলে অভিযোগ। রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে খেলাও ঘুরেছে। শুধু চিত্রকরেরা নয়, সব ধরণের শিল্পীদের নিয়েই উত্তরের গড়ে উঠছে বৃহত্তর পরিমণ্ডল। চিত্রকর দীপঙ্কর বসু বিশ্বাস, অমরনাথ নন্দী-সহ অন্যরা জানান, উত্তরের আট জেলার কোথাও আধুনিক মানের আর্ট কলেজ হলে সুস্থ সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। বিকল্প কর্মসংস্থান বাড়বে। সরকারের চাপ কমবে। তারা চান,বাধ্যতামূলক শিল্প পাঠ্যক্রম চালু হোক। শিক্ষা-সংস্কৃতি-কর্মসংস্থান একযোগে চলুক।
এবিষয়ে জেলা বিজেপির মুখপাত্র জীবেশ দাস বলেন, ‘ওঁরা মুখ্যমন্ত্রী-সহ অন্য মন্ত্রীর কাছেও দরবার করবেন। আমিও উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ-সহ মন্ত্রীদের কাছে আবেদন রাখবো। উত্তরের প্রকৃতি আর সংস্কৃতি একাত্ম হয়ে যাক।’









