আসানসোল: নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে শিল্পাঞ্চল আসানসোল। সোমবার রাতে জিটি রোডের বড় পোস্ট অফিস সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ঘিরে তৈরি হয় চরম উত্তেজনা। অভিযোগের তির বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের দিকে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সেই সময় বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। তবে অভিযোগ, আটক কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে গিয়ে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। শুধু তাই নয়, রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। পরে আহত ও আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আসানসোল দক্ষিণ থানার সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। শুরু হয় থানা ঘেরাও ও বিক্ষোভ। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।এই ঘটনার জেরে বিজেপির জেলা নেতৃত্ব সরব হয় এবং তারা আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তার পরেই দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়।আসানসোল দক্ষিণ থানার আইসি অনিমেষ দাসকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ‘লাইনে ক্লোজ’ করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় নতুন আইসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আসানসোল সাইবার থানার আইসি বিশ্বজিৎ মুখোপাধ্যায়কে। মঙ্গলবার সকালে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন বলে পুলিশ কমিশনারেট সূত্রে খবর।যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানাতে চাননি কমিশনারেটের এক শীর্ষ আধিকারিক। তিনি শুধু জানিয়েছেন, “উপর মহলের নির্দেশেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, পুলিশ কি অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে? নাকি আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ?










