অমল মাজি
রাজ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগে থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। আর সেই জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে দুর্গাপুর পূর্বের বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়-এর নাম। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, তাঁকে এবার আসানসোল দুর্গাপুর ডেভলপমেন্ট অথরিটি (এডিডিএ)-র চেয়ারম্যান পদে বসানোর ভাবনা চলছে।
সূত্রের দাবি, নতুন মন্ত্রিসভায় চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়কে জায়গা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নাকি মন্ত্রিত্ব নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। এরপরই তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে দলের অন্দরমহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই তালিকাতেই উঠে আসে এডিডিএ চেয়ারম্যানের পদ।
রাজনৈতিক মহলের মতে, দুর্গাপুর-আসানসোল শিল্পাঞ্চলে চন্দ্রশেখরবাবুর সাংগঠনিক প্রভাব এবং জনসংযোগকে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্তের ভাবনা। শিল্প, পরিকাঠামো ও নগরোন্নয়নের ক্ষেত্রে এডিডিএ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। ফলে এই পদে তাঁকে বসানো হলে পশ্চিম বর্ধমানের রাজনীতিতে বিজেপির শক্তি আরও বাড়তে পারে বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের।
যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে রাজনৈতিক করিডরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে, “মন্ত্রী না হয়েও কি এবার আরও বড় প্রশাসনিক দায়িত্ব পেতে চলেছেন চন্দ্রশেখর?”
এদিকে এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত ঘিরে শিল্পাঞ্চলের রাজনৈতিক অঙ্কও নতুন করে কষা শুরু হয়েছে। কারণ এডিডিএ চেয়ারম্যানের পদ শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করা হয়।
এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত রাজ্য নেতৃত্ব কী সিদ্ধান্ত নেয়। তবে একথা বলাই যায়, চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত ইতিমধ্যেই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।









