অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পদকপ্রাপ্তি। ন্যাশনাল ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল’ পুরস্কার নিয়ে শহরে ফিরতেই সংবর্ধনার জোয়ারে ভাসলেন বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতালের হেলথ সুপারভাইজার তথা শহরের নেতাজিপাড়ার বাসিন্দা গীতা কর্মকার। বৃহস্পতিবার রাতে নেতাজিপাড়ার বাসভবনের সামনেই তাকে সংবর্ধনা দেয় জলপাইগুড়ি নাগরিক সংসদ।
বেলাকোবা গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে কর্মরত অবস্থায় অবসর নেন গীতা কর্মকার। তার অবসর গ্রহণের অনেক আগেই এই পুরস্কারের জন্য তার সুপারিশ জমা পড়ে। এর আগে একাধিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও গ্রামীণ হাসপাতালে নিরলস পরিষেবা দিয়ে গিয়েছেন গীতা কর্মকার। গত মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল পুরস্কার নেন তিনি।
এদিন সংগঠনের তরফে চিকিৎসক পান্থ দাশগুপ্ত, অধ্যাপক সৌপায়ন মিত্র, ভার্গবী হোম রায়, জয়দীপ রায়, গণেশ ঘোষ-সহ অন্যরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। এদিন রাতেই দিল্লি থেকে নিজের বাসভবনে ফেরেন গীতা কর্মকার।

ফুলের তোড়া,উত্তরীয় সহ একাধিক উপহারে সংবর্ধনা দেন সংগঠনের সদস্যরা। সংগঠনের সভাপতি চিকিৎসক পান্থ দাশগুপ্ত বলেন, ” এদেশের নার্সিং পরিষেবার সর্বোচ্চ পুরস্কার এটি। শুধু জেলা নয়, এ রাজ্য থেকেও এবারে একমাত্র উনিই এই পুরস্কার পেলেন। গীতা কর্মকার আমাদের গর্ব।” জলপাইগুড়ি নাগরিক সংসদের কর্মসূচির সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন গীতা কর্মকার। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি ভবনের অভিজ্ঞতা অনেকটা ঈশ্বর দর্শনের মতো। আমি যেমন ছিলাম, তেমনই থাকবো। যতটা পারবো, সামাজিক কাজ করে যাব।”










