অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: এক বাংলাদেশি দুষ্কৃতিকে ছাড়ানোর জন্য পাল্টা চাপ। শহরের চাউলহাটি সীমান্ত লাগোয়া এক ক্ষুদ্র চা বাগান থেকে ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্কর গোপকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশিরা। ৫ দিন পার হতে চললেও ঘরে ফেরেনি ঘরের ছেলে। চরম উদ্বিগ্ন বাবা, স্ত্রী ও দুই সন্তান। বিএসএফের তরফে অবশ্য আলোচনার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
চলতি বছরের গত ৮ আগস্ট জলপাইগুড়ি র চাউলহাটি সীমান্ত সংলগ্ন চা বাগান থেকে থেকে দীপঙ্কর কে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশীরা। বহু সময় তার খোঁজ মেলেনি। এই দীপঙ্করকে আটকে রেখে ভারতে বন্দি থাকা এক বাংলাদেশিকে ছাড়ানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। দীপঙ্করের বাবা ও স্ত্রী-সহ অন্যরা ইতিমধ্যেই প্রশাসন ও বিএসএফের দ্বারস্থ হয়েছেন। পুরো বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বিএসএফ। দু’দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে আলোচনাও হয়েছে বলে সমর্থিত সূত্রের খবর। তবে, বিষয়টও সময় সাপেক্ষ বলে জানান দীপঙ্করের বাবা। তিনি বলেন, ‘খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। সংসার লাটে উঠেছে। দুই নাতিই বাবার জন্য অস্থির। এদিকে বউমার মানসিক অবস্থাও ভালো নয়।
দু’ বছরের ঋষভ ও দশ বছরের প্রণবের আবদারে বারবার মোবাইলে তোলা বাবার ছবি দেখাচ্ছেন দীপঙ্করের স্ত্রী। তিনি বলেন, বাবার জন্য দুই ছেলেই আকূল। খাওয়া, ঘুম সব উঠে গিয়েছে। বাবার ছবি পাশে নিয়েই রাতে ঘুমাতে যাচ্ছে ঋষভ। কবে সব ঠিক হবে জানিনা। কোনও কিছুই ভালো লাগছে না। ” ঘটের ছেলে ঘরে ফিরে আসুক এটুকুই এখন চাইছে চাউলহাটির গোপ পরিবার।









