ছবি: বুবাই শীল
এদিন পরিদর্শন শেষে কৃষ্ণ বলেন, “মাঝেমধ্যে ক্যামেরা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ এসেছিল। কমিশন ও দলকে জানিয়েছিলাম।” তার অভিযোগের ভিত্তিতেই আলাদাভাবে ক্যামেরার ব্যবস্থা করেছে কমিশন। ৫টি বিধানসভার স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার জন্যই এই ব্যবস্থা বলে জানান তিনি। পরে বিজেপিকে তোলাধোনা করে তার দাবি, ওদের কোনও আলাদা বক্তব্য নেই। প্রকল্প নেই। টাকা ছড়িয়ে, ভয় দেখিয়ে, ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে জেতার চেষ্টা করছে। কৃষ্ণের সংযোজন, এবারে জলপাইগুড়িতে দলের এত ভাল ফল হবো য়শে বিজেপি তো বটেই তৃণমূলের নেতারাও ভাবতে পারবেন না। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের রণনীতিতে তৃণমূলে আমূল পরিবর্তন এসেছে বলেও দাবি তার। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ভোট হলে ভোট-দুর্নীতি বন্ধ হবে বলে অভিমত কৃষ্ণ দাসের।
পাল্টা প্রতিক্রিয়ায়, বিজেপির জেলা মুখপাত্র বুবাই কর বলেন, “কৃষ্ণ দাস জানেন উনি মানুষের রায়ে পরাজিত হবেন। রেকর্ড ভোটে এখানে বিজেপি জিতবে। ফিঙ্গার প্রিন্টে ভোদ হলে ২৯৪ আসনের মধ্যে ২০০ আসনেই তৃণমূলের জামানত জব্দ হবে।” গত পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ছাপ্পা লোকে ভোলেনি বলেও জানান তিনি।









