Home / খবর / দেশ / এসআইআর ইস্যুতে দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ, সোমবারই মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর ইস্যুতে দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ, সোমবারই মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও দ্রুত শুনানির আর্জি মঞ্জুর করল না শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার এক আইনজীবী এই মামলার দ্রুত শুনানি চেয়ে আবেদন জানান। ওই দিন দুপুরে বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি থাকায় একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মামলাটিও শোনার অনুরোধ করা হয়। তবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানান, আগামী সোমবারই পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর মামলার শুনানি নির্ধারিত রয়েছে, সে দিনই বিষয়টি শোনা হবে।

দৃষ্টি আকর্ষণের সময় ওই আইনজীবী দাবি করেন, এসআইআরকে কেন্দ্র করে রাজ্যে ছ’টি ঘটনা ঘটেছে। যদিও কোন কোন ঘটনার কথা বলা হচ্ছে, তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।

এর আগে সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেন এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি তুলে মামলা করেন। তাঁদের পক্ষে সওয়াল করে আইনজীবী কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন হোয়াটসঅ্যাপ-সহ সমাজমাধ্যমের মাধ্যমে বুথ স্তরের আধিকারিকদের নির্দেশ দিচ্ছে। পাশাপাশি কমিশনের তথ্যগত অসঙ্গতি ও অযৌক্তিক ভাবে বহু ভোটারকে শুনানির জন্য ডাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।

সেই শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জবাব দেওয়ার জন্য দু’সপ্তাহ সময় চাওয়া হলেও আদালত এক সপ্তাহ সময় দেয়। আগামী ১৯ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

প্রসঙ্গত, গঙ্গাসাগরে এক কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর নিয়ে সরব হয়ে অভিযোগ করেছিলেন, এই প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষ হেনস্থার শিকার হচ্ছেন। প্রয়োজনে তাঁদের হয়ে আইনি লড়াইয়ের কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। এরপরই এসআইআর শুনানিতে মানুষের ‘হেনস্থা’ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে তৃণমূল।

এসআইআর নিয়ে লাগাতার আপত্তি জানিয়ে আসছে রাজ্যের শাসকদল। মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পাঁচটি চিঠি দিয়েছেন। কখনও শুনানিতে হয়রানির অভিযোগ, কখনও ‘এসআইআর আতঙ্কে’ মৃত্যুর প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন তিনি। সোমবার দেওয়া সর্বশেষ চিঠিতে মমতার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার পরেও বহু ভোটারের নাম কাটা হচ্ছে এবং শুনানির সময় নথি গ্রহণের কোনও রসিদ বা প্রমাণ দেওয়া হচ্ছে না।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *