পশ্চিম বর্ধমান: জেলায় গড় ভোট পড়েছে প্রায় ৯০.৩৩ শতাংশ, অবশ্য বারাবনি বিধানসভায় সেই হার পৌঁছেছে ৯১.০৫ শতাংশে। স্বাভাবিকভাবেই এত বেশি ভোটদান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিভিন্ন এলাকায় ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। সাধারণ ভোটারদের বড় অংশই এই ভোট প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক বলে মনে করছেন।
শুধু আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথর ছোঁড়ার একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া বড় কোনও অশান্তির খবর মেলেনি।
প্রথম দফায় জেলায় ভোটের হার ছিল,
পাণ্ডবেশ্বর – ৯২.১৩% জামুড়িয়া – ৯১.৭৯% বারাবনি – ৯১.০৫% রানীগঞ্জ – ৯০.৪২%
দুর্গাপুর পশ্চিম – ৯০.২৭% দুর্গাপুর পূর্ব – ৯০.০৬%
কুলটি – ৮৯.৯২% আসানসোল দক্ষিণ – ৮৯.৭৩%
আসানসোল উত্তর – ৮৮.২৯%,
এই উচ্চ ভোটদানের ব্যাখ্যা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপি দুই শিবিরই নিজেদের মতো করে দাবি করছে। তৃণমূলের মতে, এত বেশি ভোট মানে মানুষের সমর্থন তাদের দিকেই আছে। অন্যদিকে বিজেপির দাবি, সাধারণত পরিবর্তনের হাওয়া থাকলেই ভোটের হার বাড়ে।
২০২১ সালের নির্বাচনে বারাবনিতে তৃণমূলের বিধান উপাধ্যায় ২৩,৪৫৭ ভোটে জিতেছিলেন। তখন মোট ভোট পড়েছিল প্রায় ১ লক্ষ ৬৬ হাজার। কিন্তু এবারের চিত্র একটু আলাদা। ২০২৬-এ মোট ভোটার কম হলেও ভোট পড়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৮২ হাজার। অর্থাৎ আগের তুলনায় প্রায় ১৬ হাজার বেশি ভোট পড়েছে।
এখন প্রশ্ন হল, এই বাড়তি ভোট কার পক্ষে গেল? তৃণমূল কি নিজেদের আগের শক্ত ঘাঁটি ধরে রাখতে পারবে, নাকি বিজেপি এই অতিরিক্ত ভোটে খেলাটা ঘুরিয়ে দেবে?
এই সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে ৪ মে গণনার দিন। ততদিন বারাবনির এই উচ্চ ভোটের হিসাবই থাকবে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।










