অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনেই একাধিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হল সদর শহরে৷ এ দিন জেলার জন্মদিনকে সামনে রেখে সব বয়সের মানুষের জন্য অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে চিত্রশিল্পীদের সংগঠন। মধ্যরাতে ১৫৬ পাউন্ডের কেক কেটে জেলার জন্মদিন পালিত হল৷ বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরবাসীর জন্য স্বল্পমূল্যে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার সূচনা করল জলপাইগুড়ি প্রেস ক্লাব।
১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১ জানুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর জেলা ভাগ হয়ে জন্ম নেয় জলপাইগুড়ি। দিনটিকে স্মরণে রেখে স্থানীয় মিলন সঙ্ঘ ময়দানে আয়োজিত তিস্তা-করলা উৎসবের মঞ্চে তরোয়াল দিয়ে ১৫৬ পাউণ্ডের কেক কাটেন পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়।
ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিনেই অভিনব উদ্যোগ জলপাইগুড়ি জেলার চিত্রশিল্পীদের একাংশের। বৃহস্পতিবার শহরের এফডিআই স্কুলে বড় মাপের অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করল চিত্রশিল্পীদের সংগঠন উইংস আর্টিস্ট গ্রুপ। বিভিন্ন বয়সের আট শতাধিক মানুষ অংশ নেন এই প্রতিযোগিতায়। আয়োজক সংগঠনের তরফে চিত্রশিল্পী দীপঙ্কর বসু বিশ্বাস, অমরনাথ নন্দীরা জানান, ১ জানুয়ারি জলপাইগুড়ির জন্মদিন। এই দিনটিকে সামনে রেখে বিগত চার বছর ধরে তারা এই অঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করছেন। প্রতিযোগিতায় স্থানাধিকারী ছাড়াও সবাইকেই শংসাপত্র ও মেডেল দেওয়া হল। স্থানাধিকারী ছাড়া যাদের ছবি ভালো হবে, তাদের ছবি গুলো চিত্রশিল্পীদের বার্ষিক প্রদর্শনীতে স্থান পাবে।
এদিন বিকেলে শহরবাসীর জন্য স্বল্পমূল্যে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার সূচনা করল জলপাইগুড়ি প্রেস ক্লাব। সবুজ ফ্ল্যাগ নেড়ে পরিষেবার উদ্বোধন করেন জেলাশাসক শামা পারভীন, সরকারি আইনজীবি গৌতম দাস, সদর বিধায়ক প্রদীপ কুমার বর্মা, ডেপুটি সিএমওএইচ-১ ত্রিদিব দাস, পুরপ্রধান সৈকত চট্টোপাধ্যায়, সদর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বিনয় রায়-সহ অন্যরা। ছিলেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি পিনাকপ্রিয় ভট্টাচার্য, সম্পাদক শান্তনু কর-সহ অন্য সদস্যরা। প্রকাশ ফাউন্ডেশনের সহায়তায় এই পরিষেবা কার্য়কর করা হচ্ছে বলে জানান উদ্যোক্তারা।

শান্তনু কর বলেন, “আমাদের সদস্যদের পাশাপাশি শহরবাসীরাও এই পরিষেবার সুবিধে পাবেন। বছরের প্রথম দিনেই এর সূচনা হল।” জেলাশাসক শামা পারভীন বলেন, “এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। যে কোনও প্রয়োজনে প্রশাসনও সহায়তা করবে।”










