আসানসোল : বড়দিনের আগে জাঁকিয়ে শীত পড়ল আসানসোলে। তার সঙ্গে রয়েছে কুয়াশা। বেলা বাড়তে কুয়াশার চাদর সরলেও, দেখা মেলেনি রোদের।
এর পাশাপাশি হাওয়ায় ঠান্ডা আরো কামড় দিয়েছে। এমন পরিস্থিতি গত দু/তিন দিন ধরে চললেও, বুধবারটা একেবারে অন্য রকম। কথায় বলে, ” মাঘের শীত বাঘের গায়ে “। কিন্তু এবারে পৌষের ঠান্ডাই হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছেন আসানসোলবাসী। আমরা প্রায়ই বলি যে শীতে গরম চায়ে চুমুক দেওয়াটা আনন্দের। কিন্তু যাদের কুয়াশার ঘন চাদর ছাড়িয়ে ভোরবেলা কাজে বেরোতে হয়, তাদের জন্য ঠান্ডা সকাল বেশ কষ্টদায়ক।

এদিন সকালে শিল্পাঞ্চল তথা আসানসোলে একই রকম দৃশ্য দেখা গেছে। ভোর থেকেই পুরো এলাকা কুয়াশায় ঢাকা ছিল। কাজের উদ্দেশ্যে বেরোনো মানুষজন প্রচণ্ড অসুবিধার সম্মুখীন হন। দূরের জিনিস তো দূরের কথা, এমনকি কাছের জিনিসও দেখতে পাওয়া যাচ্ছিলো না । ভোর থেকেই চালকদের হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছিলো। তবুও, তাদের মধ্যে অনেক কেউ পেটের খাবারের জন্য কাজে যেতে হচ্ছিল। এই মানুষগুলো কুয়াশা উপেক্ষা করে গন্তব্যস্থলের দিকে রওনা হয়েছিল।
রেললাইনও ঢেকে যায় কুয়াশায়। একই অবস্থা আসানসোলের উপর দিয়ে যাওয়া ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের।

এদিকে, সমাজের কিছু মানুষের ঠান্ডা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কম্বল বা গরম পোশাকের অভাব রয়েছে। তাদের জন্য একমাত্র বিকল্প ছিল আগুন জ্বালানো। এই মানুষগুলো আগুন জ্বালিয়ে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে চেষ্টা করেছিল। বলা যায় যে ঠান্ডা পুরো শিল্পাঞ্চলকে গ্রাস করেছে।
আবহাওয়া দপ্তর আগেই পূর্বাভাস দিয়ে রেখেছে, এমন ঠান্ডা ও কুয়াশার দাপট এখন টানা কিছু দিন চলবে।










