অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: লক্ষ্য, জেলায় ডেঙ্গু নির্মূলকরণ। সদর শহর ও অন্য শহরের পাশাপাশি এবারে গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত এলাকাতেও নজর জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের। শুক্রবার জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের গ্রামীণ হাসপাতালে চালু হলো ডেঙ্গু পরীক্ষা কেন্দ্র। এত দিন রাজগঞ্জ ব্লকের কোনও বাসিন্দার শরীরে ডেঙ্গু সন্দেহ হলে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হতো জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এবার রাজগঞ্জ হাসপাতালেই হবে পরীক্ষা। এই প্রথম কোনও গ্রামীণ হাসপাতালে এই পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হল বলে দাবি। এবারে ডেঙ্গু নিয়ে অনেকটাই স্বস্তিতে ওই এলাকার বাসিন্দারা। এদিন এই কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ অসীম হালদার।
বর্ষার মরশুমে প্রতিবারই চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় ডেঙ্গুর আক্রমণ। মশাবাহিত এই রোগ দমনে ইতিমধ্যেই সদর শহরে স্প্রে, নর্দমায় গাপ্পি মাছ ছাড়ার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। জেলায় এদিন পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩২।রাজগঞ্জ ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ জন। সমর্থিত সূত্রের খবর এটাই। রাজগঞ্জ ব্লকের কোনও বাসিন্দার শরীরে ডেঙ্গু সন্দেহ হলে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হতো জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এবার রাজগঞ্জ হাসপাতালেই হবে পরীক্ষা। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অসীম হালদার বলেন, “জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজ, মাল মহকুমা হাসপাতাল ও ইউপিএসসি ১-এ এই পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল। উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এই প্রাথম গ্রামীণ হাসপাতালে এই পরীক্ষা চালু হল আজ থেকেই। তাঁর আরও সংযোজন, বেশ কিছু এলাকায় লেপ্টোস্পাইরায় আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। দ্রুত রোগ নির্ণয় হলে সুস্থতার হার অনেকটাই বেড়ে যায়।









