জলপাইগুড়ি: দক্ষিণবঙ্গের পরে এবারে উত্তরবঙ্গ। তৃণমূল আমলে শহরের এক কলেজের ইউনিয়ন রুমে অনৈতিক কাজ চলার অভিযোগ। বুধবার ইউনিয়ন রুম পরিস্কার করতে গিয়ে চোখ ছানাবড়া এবিভিপি কার্যকর্তাদের। উদ্ধার হল মদের বোতল, ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ-সহ নেশার ও আপত্তিকর নানা সামগ্রী। ফের চাঞ্চল্য শহরের শিক্ষা মহলে।
শহরের আনন্দচন্দ্র কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দখলে ইউনিয়ন রুম ছিল দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই। ওই ইউনিয়ন রুম খুলতেই বেরিয়ে এলো একের পর এক মদের বোতল। পাওয়া গেলো নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, সিরিঞ্জ ও মেয়েদের পোশাক। অনৈতিক কাজকর্মের পাশাপাশি কলেজের এই রুমের ভেতর নেশার আসরও বসতো বলে অভিযোগ। পালা বদলের পর কলেজ থেকে বেপাত্তা তৃণমূলের ছাত্র নেতারা। ইউনিয়ন রুম পরিস্কার করার সিদ্ধান্ত নেয় এবিভিপির সদস্যরা। রুম খুলতেই হতবাক তারা। কার্টুনে পড়ে রয়েছে মদের বোতল, বিয়ারের ক্যান। সন্ধান মিললো ব্যবহৃত সিরিঞ্জ-সহ একাধিক সামগ্রীর। রুমটিকে সিল করে দিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন ওই সংগঠনের নেতারা। এবিভিপি-র কার্যকর্তা পার্থ মণ্ডল জানান, তৃণমূল আমলে অনেক কলেজের ইউনিয়ন রুমেই অনৈতিক কাজ-কারবার চলত বলে এখন সংবাদমাধ্যমে বের হচ্ছে। আশঙ্কা ছিল, এই কলেজেও তেমন কিছু ঘটতে পারে। ইউনিয়ন রুম খুলতেই চোখ ছানাবড়া হয়েছে তাদের। নিষিদ্ধ সামগ্রী ইউনিয়ন রুম থেকে বের করে বাইরে ফেলে দেন তারা। পার্থ-র আরও সংযোজন, পঞ্চাশ বছর বয়সী তথাকথিত তৃণমূলী ছাত্র নেতাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অধ্যক্ষকে দাবি জানিয়েছেন তারা। বিজেপির যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পলেন ঘোষ বলেন, দীর্ঘ দশ বছর কলেজ গুলিতে নির্বাচন হয়নি। একচেটিয়া আধিপত্য কায়েম করেছিল তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন। পড়ুয়াদের চাপ দিয়ে অসামাজিক কাজ করাত তৃণমূলের ছাত্র নেতারা। শিক্ষাঙ্গনকে কলুষিত করা হয়েছে। তবে, এই পরিস্থিতির বদল হবে বলেও দাবি পলেন ঘোষের।










