Home / খবর / জেলায় জেলায় / রবীন্দ্রচর্চায় কোরক হোমে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন

রবীন্দ্রচর্চায় কোরক হোমে সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: ওরা চিনলো, জানলো কবিগুরুকে। সম্পৃক্ত হল রবীন্দ্র সংস্কৃতির সঙ্গে। ওদের কেউ বাংলাদেশি, কেউ নেপালি, পাকিস্তানি কিম্বা মায়ানমারের বাসিন্দা। ওরা এখন অন্য আবাসিকদের সঙ্গে একত্রে রয়েছে শহরের সরকারি কোরক হোমে। সোমবার দুপুরে রবীন্দ্র-জয়ন্তীর আয়োজন করে হোম কর্তৃপক্ষ। সেখানের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অন্য সবার সঙ্গে সামিল হয় ভিনদেশি আবাসিকেরাও। সোমবার সকাল থেকেই ব্যস্ততা ছিল আবাসিক দের। সংস্কৃতিকর্মী টিটু বসুর তত্ত্বাবধানে চলল প্রস্তুতি পর্ব।উচু প্রাচীর, ফটক, চত্বরের খোলা মাঠ আর নিজের ঘরটুকুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ওদের জীবন। নিয়ম শৃঙ্খলার ছাপ স্পষ্ট। তবে, বিকেলের খেলা আর এ সব অনুষ্ঠানের জন্য মুখিয়ে থাকে খুদে আবাসিকেরা। দিন গুলি কাটে অন্যরকম। হোম চত্বরেই দুর্গা পুজো, পত্রিকা প্রকাশ, স্পোর্টস-সহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয় ওদের মনোরঞ্জনের জন্য। বিগত সুপার গৌতম দাসের উৎসাহে বেশ বড় মাপেরই অনুষ্ঠান হত হোমে। নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পরে অনেকটা সেই পথেই কাজ করছেন হোম সুপার সৈকত প্রধান। এ দিন হোমের মূল ভবনের হলঘরে রবীন্দ্র জয়ন্তীর আয়োজন করা হয়। বর্তমানে এই হোমে ৮১ জন আবাসিক রয়েছে। এর মধ্যে নেপাল, বাংলাদেশি, মায়ানমার-সহ অন্য দেশের জনা ১২ আবাসিকও থাকে এখানে। এদন মূল অনুষ্ঠানে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সবাই। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন জেলা সমাজ কল্যাণ আধিকারিক বাণী লামা, ডিসিপিও সুদীপ ভদ্র, হোম সুপার সৈকত প্রধান-সহ অন্যরা। কবিগুরুর কর্মকাণ্ড নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন সমাজ কল্যাণ আধিকারিক ও ডিসিপিও। পরে নাচ, গান, কবিতার মাধ্যমে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় আবাসিকেরা।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *