Home / খবর / জেলায় জেলায় / বৈকুণ্ঠপুর রাজএস্টেটের কঠোর রীতি, গদিতে বসার আগে বিয়ে নয়

বৈকুণ্ঠপুর রাজএস্টেটের কঠোর রীতি, গদিতে বসার আগে বিয়ে নয়

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: আগে সিংহাসন, পরে বিয়ে। বৈকুন্ঠপুর রাজএস্টেটের এমনই কঠোর নিয়ম। রাজা হয়ে গদিতে না বসা পর্যন্ত তিনি বিয়ে করতে পারবেন না। এমন তথ্যই প্রাবন্ধিক উমেশ শর্মা জানতে পেরেছেন কর্নেল জে সি হটনের পত্র থেকে। পেয়েছেন আরও তথ্যাবলিও।

কর্নেল লিখেছিলেন, ‘The Rajas of cooch Behar never married till they sat on the gaddi. বৈকুণ্ঠপুরেও এই নিয়ম প্রচলিত ছিল।’ এমনটাই দাবি করেছেন বৈকুন্ঠপুর রাজবাড়ির গবেষক। প্রাবন্ধিক বলেন, “রাজার ব্রাহ্ম বিবাহিতা স্ত্রীর সন্তানই একমাত্র রাজার মৃত্যুর পরে রাজগদিতে বসতে পারতেন। ব্রাহ্মবিবাহিতা স্ত্রীর সন্তান না থাকলে গান্ধর্বমতে বিবাহিত স্ত্রীদের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ সন্তান রাজগদিতে বসতে পারতেন। তবে ব্রাহ্মবিবাহিতা ও গন্ধর্ব বিবাহিতা পত্নিগণ যদি অপুত্রক থাকতেন, তবে দাসীরানীদের সন্তানদের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ সন্তানই একমাত্র রাজগদি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হতেন। কোন রাজকন্যা রাজগদিতে বসতে পারতেন না।”

উমেশ শর্মার দাবি, রাজার ব্রাহ্ম বিবাহিতা স্ত্রীর সন্তানই একমাত্র রাজার মৃত্যুর পরে রাজগদিতে বসতে পারতেন। ব্রাহ্মবিবাহিতা স্ত্রীর সন্তান না থাকলে গান্ধর্বমতে বিবাহিত স্ত্রীদের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ সন্তান রাজগদিতে বসতে পারতেন। তবে ব্রাহ্মবিবাহিতা ও গন্ধর্ব বিবাহিতা পত্নীরা যদি অপুত্রক থাকতেন, তবে দাসীরানীদের সন্তানদের মধ্যে জ্যৈষ্ঠ সন্তানই একমাত্র রাজগদি পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হতেন।” এছাড়াও একটি সামাজিক রীতির কথা বলেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাজা জীবিত থাকাকালীন অন্য ব্যক্তিকে রাজগদি অর্পণ করতে পারবেন না। বৈকুণ্ঠপুরে রাজগদিতে বসবার পূর্বে বিয়ে করেছিলেন এমন উদাহরণ নেই। দাবি উমেশ শর্মার। রাজবাড়ির ম্যানেজার রসিক লাল ঘোষ আদালতে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু তথ্যও দিয়েছিলেন বলেও দাবি তাঁর।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *