সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষায় (SIR) পরিচয়পত্র হিসাবে আধার কার্ড গ্রহণ করতে হবে—বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (সিইও) সেই নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের তরফে পাঠানো নির্দেশিকায় জানানো হয়, ভোটার তালিকায় পরিচয় প্রমাণ হিসাবে আধারকে ১২তম নথি হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে আধার নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, সেকথাও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বিহারে ভোটার তালিকার নথিতে আধার কার্ড যুক্ত করা যাবে। এতদিন নির্বাচন কমিশন ১১টি প্রামাণ্য নথি গ্রহণ করত। এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আধার যুক্ত হলো ১২তম নথি হিসাবে। আদালত জানিয়েছে, ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের অধীনে আধার সংযুক্তিকরণ করা যেতে পারে।
উল্লেখ্য, বিহারের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৬৫ লক্ষ নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগে মামলা চলছিল শীর্ষ আদালতে। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাদ পড়া নাম নিয়ে অভিযোগ জানানো যাবে। সোমবার আদালত আরও স্পষ্ট করে দেয়, সময়সীমা পার হয়ে গেলেও কোনও ভোটার অভিযোগ করলে তা শোনা হবে। একই সঙ্গে আধারকেও প্রামাণ্য পরিচয়পত্র হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত।
ফলে নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য এখন থেকে অন্য নথির পাশাপাশি আধার কার্ডও ব্যবহার করতে পারবেন ভোটারেরা।










