বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর, ২০২৫) ‘প্রেসিডেন্সিয়াল রেফারেন্স’-এর ওপর নিজের পর্যবেক্ষণের কথা জানাল সুপ্রিম কোর্ট। এই রেফারেন্সে মামলা তোলা হয়েছিল—বিল অনুমোদন বা রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত বিলগুলোর বিষয়ে কাজ করার সময়সীমা “আরোপ” করার ক্ষমতা আদৌ সুপ্রিম কোর্টের আছে কি না এবং রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালদের আচরণবিধি আদালত নির্ধারণ করতে পারে কি না, সেসব প্রশ্নের উপর ভিত্তি করে।
দীর্ঘ শুনানিতে বিরোধী শাসিত বিভিন্ন রাজ্য ও তাদের রাজ্যপালদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলো অনুমোদনে বিলম্ব নিয়ে টানাপোড়েন সামনে আসে। এ দিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বিআর গবইয়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চ পর্যবেক্ষণের কথা জানাল। প্রধান বিচারপতি ছাড়াও সাংবিধানিক বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি পিএস নরসিংহ এবং বিচারপতি এএস চন্দরকর।
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সংবিধানের ১৪৩ অনুচ্ছেদের অধীনে ২০২৫ সালের মে মাসে ১৪টি প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টে পাঠান। এগুলোর মূল বিষয় ছিল সংবিধানের ২০০ ও ২০১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিল অনুমোদনে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের ক্ষমতা। এ দিন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, কোনও বিলে রাজ্যপাল সম্মতি না-দিলে সেটি ফের বিধানসভায় ফেরত পাঠাতে হবে। রাজ্যপাল বিল আটকে রাখতে পারবেন না।
এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় সুপ্রিম কোর্টের ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল প্রদত্ত রায় তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বনাম রাজ্যের মামলার পর, আদালত বিল অনুমোদনের বিষয়ে সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছিল।










