অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: বর্ষার আর দেরি নেই। এই মাস শেষ হওয়ার আগেই বাংলায় ঢুকে পড়বে বর্ষার মেঘ। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য মেনে ১ জুন থেকে জেলায় বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু করে দিচ্ছে সেচ দফতর। তার আগে, মঙ্গলবার সব বিভাগের আধিকারিকদের নিয়ে প্রস্তুতও সভা ডাকা হয়েছে। কী কী পদক্ষেপ করা হবে তার সিদ্ধান্ত হবে ওই বৈঠকেই।আবহাওয়া দপ্তর জানাচ্ছে, মে মাসের ২০ তারিখ নাগাদ আন্দামান সাগরে এবং ২৫ মে’র মধ্যে কেরালায় পা রাখতে পারে বর্ষা। যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কিছুটা হলেও আগে।তাতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই বাংলায় বর্ষা প্রবেশের ইঙ্গিত পাচ্ছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। এদিকে বর্ষা মানেই বন্যার ভ্রুকুটি। আবহাওয়া ও নদী পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালিয়ে নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক করতে এবার কন্ট্রোল রুম চালু করে দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গেলো উত্তরে। মঙ্গলবার বন্যা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় কর্মসূচি ঝালিয়ে নিতে বৈঠক ডেকেছেন সেচ দপ্তরের উত্তর পূর্ব সেচ বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক। ২০২৩ সালে তিস্তায় বিপর্যয়ের পরে ভূমি ধ্বসের কারণে তিস্তা বেডের কিছু অংশ উঁচু হয়ে যায়। ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় নদী পাড়ের চমকডাঙি ও লালটং বস্তি গ্রাম। দুই গ্রামের বাসিন্দাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অন্যত্র পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করে প্রশাসন।সেচ দপ্তরের উত্তর পূর্ব বিভাগের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক জানান, বন্যা মোকাবিলার সমস্ত রকমের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ১ জুন থেকে কন্ট্রোল রুম চালু করে দেওয়া হবে।










