দুর্গাপুর: সোমবার সকাল থেকে ভোট গণনা।তার আগে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে মাঠে নেমে পড়ল বিজেপি নেতৃত্ব। শনিবার সন্ধ্যায় দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল।
এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ মূল ফোকাস ছিল ভোট গণনার দিন কৌশল এবং বুথ পর্যায়ের দায়িত্ব বণ্টন। বিজেপি সূত্রে খবর, গণনা কেন্দ্রগুলিতে যে কর্মীরা দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের ভূমিকা কী হবে, কীভাবে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে, সেই বিষয়েই বিস্তারিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশ দেওয়া হয়েছে,
গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও কর্মী যেন কেন্দ্র না ছাড়েন।
শেষ রাউন্ড পর্যন্ত উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।
স্ট্রং রুমে কড়া নজরদারি রাখতে হবে সবাইকে।
স্ট্রং রুমের সামনে সর্বক্ষণ কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং বাঁকুড়া জেলার প্রার্থী ও শীর্ষ নেতৃত্ব। সুনীল বনশলের সঙ্গে ছিলেন দলের একাধিক কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতাও।
বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, “ভোট গণনাকে কেন্দ্র করেই এই বৈঠক। প্রতিটি কর্মীকে সজাগ ও দায়িত্বশীল থাকতে বলা হয়েছে।”
উল্লেখযোগ্যভাবে, দুর্গাপুরের আগে আসানসোল-এ একই ধরনের বৈঠক করেন বিজেপি নেতৃত্ব। সেখানে আসানসোল ও পুরুলিয়ার প্রার্থী ও কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভোট গণনার আগে এই ধরনের টানা বৈঠক থেকে স্পষ্ট, বিজেপি কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না। প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে নিজেদের উপস্থিতি ও নজরদারি জোরদার করেই ফলাফলের দিনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি সেরে ফেলছে দল।
এখন দেখার, এই কড়া সংগঠনিক প্রস্তুতি ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলে।










