অভিষেক সেনগুপ্ত: নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশিত হলেও সেভাবে ভোটের উত্তাপ ছড়ায়নি ওই এলাকায়। শহর লাগোয়া করলাভ্যালি চা বাগান সংলগ্ন এলাকায় করলা নদীতে বারুণি স্নান ও মেলা শুরু হতে চলেছে। জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি।
শহরে ঢোকার আগে করলা নদী উত্তরমুখী হয়েছে ওই এলাকায়। পণ্ডিতেরা বলেন, নদী যেখানে উত্তরমুখী, ওই স্থানই বারুণী স্নানের জন্য আদর্শ। কমবেশি ৮ দশকের বেশি সময় ধরে গৌরিহাটের এই এলাকায় বারুণী স্নানে আসেন পুন্যার্থীরা। এই উপলক্ষ্যে বসে মেলাও। শুধু শহর বা লাগোয়া এলাকা নয়, পার্শ্ববর্তী জেলা কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার থেকেও বিক্রেতারা আসেন৷ শিলিগুড়ি ও অসমের ব্যবসায়ীদেরও পসরা সাজিয়ে বসে থাকতে দেখা দেয় মেলায়।
মেলা উপলক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা-সহ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে মেলা কমিটি ও পুলিশ প্রশাসন। গৌরিহাট উন্নয়ন সমিতির সভাপতি তথা ওই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য সঞ্জিত কর্মকার বলেন, “মেলা চলবে ১৭ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত। প্রশিক্ষিত ডুবুরিরা থাকছেন নদীতে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও কঠোর করেছে পুলিশ। রাত ১০ টার পরে মাইক বাজানো চলবে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেজন্য আয়োজকেরাও সতর্ক থাকবেন।”

এই মেলায় উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে ফি দিন প্রচুর মানুষ আসেন। স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য মেলায় জুয়া জাতীয় খেলা যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখলে ভালো হয়।










