আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের তরফে মাদক পাচার রুখতে সরকার ও পুলিশের ” জিরো টলারেন্স” নীতির অংশ হিসেবে ধারাবাহিক অভিযান চালানো হচ্ছে। সেই অভিযানে এবার বড় সাফল্য মিলেছে। আন্তঃরাজ্য গাঁজা পাচার চক্রের মূল অভিযুক্ত কালিপদ ভান্ডারিকে ঝাড়খণ্ডের জামতাড়ার নলা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার কাছ থেকে ১২২ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি ( সেন্ট্রাল) অফিস এই গাঁজা উদ্ধার নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য দেন ডিসিপ
( সেন্ট্রাল) ধ্রুব দাস ও ডিসিপি ( ওয়েষ্ট) সানা আখতার।
পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এর আগে জামুড়িয়া এলাকায় প্রায় ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করার পাশাপাশি দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে সালানপুর থেকে আরও ১০৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ অভিযানে ১২২ কেজি গাঁজা উদ্ধার হওয়ায় মোট উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৩০ কেজি। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে এটি একটি আন্তঃরাজ্য মাদক পাচার চক্র। ঝাড়খণ্ড থেকে গাঁজা এনে আসানসোল-দুর্গাপুর এবং বীরভূম-সহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হত। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্রেপ্তার হওয়া কালিপদ ভান্ডারীর বিরুদ্ধে জামুড়িয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলায় জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। সেই তদন্তের সূত্র ধরেই তাকে ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতকে আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হবে। হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে গোটা মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হবে।
তদন্তকারীদের মতে, এই চক্র কতদিন ধরে সক্রিয় ছিল এবং তাদের আর্থিক লেনদেন ও বিস্তৃত নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও তদন্ত চলছে। পুলিশের আশা, হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।









