Home / খবর / জেলায় জেলায় / গজলডোবার ভোরের আলো’ পর্যটন কেন্দ্রের হাল ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

গজলডোবার ভোরের আলো’ পর্যটন কেন্দ্রের হাল ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি

জলপাইগুড়ি: রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দশা বেহাল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের হতশ্রী দশায় দুর্নীতির অভিযোগ বর্তমান শাসকদলের স্থানীয় নেতার। গজলডোবার ভোরের আলো’ পর্যটন কেন্দ্রের হাল ফেরাতে দ্রুত পদক্ষেপের দাবি এলাকাবাসীদের।

পরিচর্যা নেই বহুদিন। মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের প্রকল্প গজলডোবার ‘ভোরের আলো’র পরিকাঠামো। আগাছায় ছেয়েছে চতুর্দিক। ডেরা গাড়ছে পোকামাকড়, সরীসৃপ। জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের এই মেগা ইকো-ট্যুরিজম হাবটিকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহত্তম সংগঠিত পর্যটন কেন্দ্র বলে দাবি করে হয়েছিল একসময়ে। তবে, বর্তমানে এই পর্যটন কেন্দ্রে এসে খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে স্থানীয় ও বহিরাগত পর্যটকদের। অভিযোগ, ভরের আলো-র পরিকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য এর আগে কয়েক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হলেও লাভ কিছু হয়নি। আর্থিক দুর্নীতিরও অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে এই কেন্দ্রের একাংশ ঝোপ-জঙ্গল ও আগাছায় ঢেকে গিয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেতা সুজিত দে বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে এই প্রকল্পে অনেক দুর্নীতি হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রের চারপাশে রক্ষণাবেক্ষণ ও ঝোপজঙ্গল পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কার্যত কোনও কাজ করা হয়নি। ঝোপঝাড়ে ভরে গিয়েছে এলাকা। ফলে বর্তমানে পর্যটকেরা গাজলডোবার ভোরের আলো পর্যটন কেন্দ্রে এলেও অনেকেই হতাশ হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন।’ তার আরও সংযোজন, এই পর্যটন কেন্দ্রের সংস্কার, সৌন্দর্যায়ন-সহ সামগ্রিক উন্নয়নে দ্রুত কাজ শুরু করার দাবিও তারা জানাচ্ছেন। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত পরিচর্যার অভাবে পর্যটন কেন্দ্রের সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। রাস্তা ও সংলগ্ন এলাকায় আগাছা ও ঝোপজঙ্গল বেড়ে যাওয়ায় সেখানে বিভিন্ন পোকামাকড়ের আবাসস্থল তৈরি হয়েছে। এবারে নতুন সরাকারের পর্যটন মন্ত্রী হয়েছেন শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ। স্থানীয়দের আশা, ভোরের আলোকে পুনরায় আকর্ষণীয় করে তুলতে পদক্ষেপ নেবেন পর্যটন মন্ত্রী।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *