ভারত ও চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন দিশা খুলতে সীমান্ত সমস্যার সমাধানে একমত হল। এ জন্য একটি বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী গঠিত হবে, যারা সীমান্ত নির্ধারণে দ্রুত সমাধানের পথ খুঁজবে।
মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিদেশমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। বৈঠকের পর ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক জানায়, দুই দেশ দ্রুত প্রত্যক্ষ বিমান পরিষেবা ফের চালু করবে এবং কৈলাশ-মানস সরোবর যাত্রায় ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের সংখ্যা বাড়ানো হবে।
চিনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পাশাপাশি লিপুলেখ পাস, শিপকিলা ও নাথুলা—এই তিন সীমান্ত বাণিজ্যকেন্দ্র ফের খুলতে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।
২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে তা কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বাণিজ্য শুল্ক চাপানোর ঘোষণার পর এই কূটনৈতিক অগ্রগতি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২৪তম বিশেষ প্রতিনিধি বৈঠকে অজিত ডোভাল ও ওয়াং ই সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দেন। ২০০৫ সালের সীমান্ত চুক্তির আলোকে ন্যায্য ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজতে রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি নেওয়ার ব্যাপারেও একমত হন তাঁরা।
সীমান্ত নির্ধারণে দ্রুত অগ্রগতি আনতে একটি বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠী গঠন ছাড়াও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নতুন কার্যকরী ব্যবস্থা, পূর্ব ও মধ্য সেক্টরে অতিরিক্ত জেনারেল-স্তরের আলোচনার প্রক্রিয়া চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।










