জুলাই হত্যাকাণ্ড মামলায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফাঁসির সাজা শোনানোর দিনই নতুন নির্দেশিকা জারি করল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায় ঘোষণার পর দেশটির জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (NCSA) এক প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে জানায়—হাসিনার কোনও বক্তব্য বা বার্তা প্রচার না করতে হবে দেশের সমস্ত সংবাদমাধ্যমকে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘অপরাধী’ ও ‘পলাতক’ হিসেবে চিহ্নিত শেখ হাসিনার বক্তব্য সমাজে উস্কানি ছড়াতে পারে এবং তা জাতীয় নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে ক্ষতিকর। এমন কনটেন্ট প্রচার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বাড়াতে পারে বলেই সংবাদমাধ্যমগুলিকে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে সরকারি সংস্থা।
এনসিএসএ জানায়, কিছু সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে হাসিনার বক্তব্য প্রচার হওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন। সাইবার সুরক্ষা সংক্রান্ত অধ্যাদেশের উল্লেখ করে সংস্থাটি জানিয়েছে—যে কোনও কনটেন্ট যদি জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করে, সাম্প্রদায়িক বিভাজন বাড়ায় বা বিদ্বেষ ছড়ায়, তা ব্লক বা সরিয়ে দেওয়া হবে। মিথ্যা পরিচয়ে ঘৃণা ছড়ানো বা অবৈধ প্রচারে দুই বছরের জেল এবং সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা জরিমানার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
যদিও বিবৃতিতে এনসিএসএ দাবি করেছে—তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে সংবাদমাধ্যমের ওপরে বাড়তি নজরদারি বসাতে চাইছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিশ্লেষকরা।










