দিনভর উত্তেজনা, কারচুপির অভিযোগ এবং বিচ্ছিন্ন হিংসার ঘটনার মধ্য দিয়ে শেষ হল বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ‘জুলাই সনদ’ গণভোট। খুলনা সদরে এক বিএনপি নেতার মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। বিভিন্ন এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটেছে। তবে যেসব কেন্দ্রে ভোটারদের লাইন ছিল বা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ভোটার উপস্থিত ছিলেন, সেখানে ভোটগ্রহণ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া চালু রাখা হয়।
এবারই প্রথম বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচনের দিন একই সঙ্গে গণভোট আয়োজন করা হল। পাশাপাশি, প্রথমবারের মতো চালু করা হয়েছে পোস্টাল ভোটের ব্যবস্থাও। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ, যা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চলে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত সাত ঘণ্টায় দেশের ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ওই সময় পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ।
ভোটগ্রহণ শেষ হতেই শুরু হয়েছে গণনা পর্ব। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট একই বাক্সে ফেলা হলেও, দু’ধরনের ব্যালট আলাদা রঙের ছিল। সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ছিল সাদা-কালো রঙের, আর গণভোটের ব্যালট ছিল গোলাপি। গণনার সময় প্রথমে রঙ অনুযায়ী ব্যালট আলাদা করা হচ্ছে, তারপর পৃথকভাবে গণনা করা হবে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল।










