আসানসোল ও দুর্গাপুর : আতঙ্কে পড়ে, সকাল থেকেই গ্যাসের সিলিন্ডার নিতে আসা মানুষদের ভোগান্তির ছবি দেখা গেল আসানসোল ও দুর্গাপুরে। গ্যাস কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটারের সামনে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন।
আসানসোলের জিটি রোডের মুর্গাশোল, আপকার গার্ডেন, এসবি গড়াই রোডের গ্যাস সরবরাহকারী এজেন্সির সামনে ভিড়। গ্যাস সিলিন্ডার না পাওয়া থেকে একাধিক অভিযোগ গ্রাহকদের। যা, সামাল দিতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা কর্মীদের।
এদিন একই ছবি দেখা গেল, দুর্গাপুরের মুচিপাড়া এলাকায় এইচপি’ তে । এইচপি গ্যাস নেওয়ার জন্য গত কয়েক দিনের মতো বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন পড়ে। কেউ সকাল সাতটা, কেউ আবার আটটা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়ার আশায়।
অভিযোগ, বুকিং সংক্রান্ত সমস্যার কারণে গ্রাহকদের চরম হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস পাবেন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
এদিকে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে বাস্তবে এমন ভোগান্তি কেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।
গ্যাস নিতে আসা এক গ্রাহকের কথায়, যুদ্ধ করে গ্যাস নিতে হচ্ছে। বিরাট লাইন, সঙ্গে চরম ভোগান্তি।
সবারই মুখে একটাই প্রশ্ন? কবে এর যে শেষ আছে, কে জানে ?
অনেকের অভিযোগ, বাস্তব চিত্র যাই হোক ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ কেউ এই নিয়ে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। তাই সাধারন মানুষ আগে ভাগে গ্যাসের সিলিন্ডার নিতে ছুটছেন। তারফলে দীর্ঘ লাইন পড়ছে এজেন্সির সামনে।
অন্যদিকে, প্রশাসনের নাকের ডগায় দুর্গাপুরে সর্বত্র প্রকাশ্য কাটা গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকা কেজি দরে।
অভিযোগ, যারা গ্যাস ডেলিভারি দেয়, তারায় ওই সব কাটা গ্যাস বিক্রির দোকানে ১২০০ টাকার বিনিময়ে গ্যাসের সিলিন্ডার সাপ্লাই দেয়।










