Home / খবর / জেলায় জেলায় / এসআইআরের নামে নির্বাচন কমিশনের ‘বলপ্রয়োগের’ অভিযোগ, আসানসোলে শুনানি কেন্দ্রে বিক্ষোভ তৃণমূলের নেতা ও কর্মীদের

এসআইআরের নামে নির্বাচন কমিশনের ‘বলপ্রয়োগের’ অভিযোগ, আসানসোলে শুনানি কেন্দ্রে বিক্ষোভ তৃণমূলের নেতা ও কর্মীদের

আসানসোল: এসআইআর বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের নামে বলপ্রয়োগ করছে নির্বাচন কমিশন। কোন গেজেট নোটিফিকেশন না করে, নির্বাচনের মতো কোড অফ কনডাক্ট কার্যকর করে জোরজার চালাচ্ছে। কোন রকম লিখিত নির্দেশ ছাড়াই বিএলএ ২ দের শুনানি বা হিয়ারিং কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে সোমবার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করলো রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।

আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের জন্য চারটি শুনানি কেন্দ্র করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হল আসানসোল পিএইচই দপ্তরের সেন্টার। যেখানে সোমবার শুনানি হয়। এদিন সকালে শুনানি চলাকালীন সেখানে আসেন আসানসোল পুরনিগমের বোরো চেয়ারম্যান তথা আসানসোল দক্ষিণ ব্লক ( শহর) সহসভাপতি ডাঃ দেবাশীষ সরকার, রানিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলি সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল কাউন্সিলর ও দলের নেতা ও কর্মীরা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো কাউকেই ভেতরে যেতে দেওয়া হয়নি। তারা সেখানে গেটের সামনে স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ দেখান।

এই প্রসঙ্গে ডাঃ দেবাশীষ সরকার বলেন, এদিন এখানে শুনানি চলছে। এই এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা শুনানির জন্য এখানে এসেছেন। নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকরা এখানে উপস্থিত আছেন। যারা শুনানি প্রক্রিয়া পরিচালনা করছেন, কিন্তু এখানে বিএলএ ২ দেরকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের শুনানি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ডঃ দেবাশীষ সরকার প্রশ্ন তুলে বলেন যে, বিএলএ-২ যদি এসআইআরের প্রথম পর্যায়ে ইনুমেরেশন বা গণনার ফর্ম দেওয়ার সময় বিএলওর সাথে ঘরে ঘরে যেতে পারেন, তাহলে শুনানির সময় তারা এখানে কেন উপস্থিত থাকতে পারবেন না? এটা কোন ধরনের নিয়ম?

তিনি বলেন যে, শুনানি প্রক্রিয়া পরিচালনাকারী নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করি। তারা ফোনে কথা বলেছিলেন। কিন্তু আমাদের সামনে উপস্থিত হননি। যখন আমি আধিকারিকদের বিএলএ ২ দের ঢুকতে দেওয়া হবেনা, এই সংক্রান্ত লিখিত নির্দেশ কোথায় তা দেখাতে বলি। তখন তারা বলেন যে তাদের কাছে কোনও লিখিত আদেশ নেই। পরিবর্তে, তারা আমাদের জিজ্ঞাসা করেন যে কোথায় লেখা আছে যে বিএলএ ২ থাকতে পারবেন। ডাঃ সরকার বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এই প্রক্রিয়াটি কেবল মাত্র সাধারণ মানুষদের হয়রানি করার জন্য করা হচ্ছে।

এদিকে, রানিগঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলিও এতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শুনানি প্রক্রিয়াটি যেভাবে চলছে তাতে জনগণ অনেক সমস্যায় পড়ছেন। কিন্তু এর সাথে জড়িয়ে এমন কিছু করা হচ্ছে, যার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের কোনও সম্পর্ক নেই।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *