আসানসোল: একই আসনে তিন ‘কৃষ্ণেন্দু’। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে এমনই দৃশ্য সামনে আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে। মঙ্গলবার স্ক্রুটিনির সময় একে একে ডাকা হয় কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়, কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু মুখার্জির নাম। একই নামের তিন প্রার্থী থাকায় কিছু সময়ের জন্য বিভ্রান্তিতে পড়েন আধিকারিকরাও।
এসডিএম কার্যালয়ে উপস্থিত প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যেও শুরু হয় ফিসফাস—এ কি নিছক কাকতালীয়, না কি ভোটারদের বিভ্রান্ত করার কোনও কৌশল? বিষয়টি ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ঘটনার পর বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন, “এটা পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে। আমার নামের সঙ্গে মিল রেখে প্রার্থী দাঁড় করানো হয়েছে যাতে ভোট কাটা যায়।” তাঁর কথায়, আসানসোল উত্তরে বিজেপির শক্তি বাড়েছ দেখেই বিরোধীরা এমন পথে হাঁটছে। ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, “আমি তো আরও অনেক কৃষ্ণেন্দুকে চিনি, চাইলে তাঁদেরও দাঁড় করানো যেতে পারে!”
যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ বলছেন, এমন ঘটনা নতুন নয়। অতীতেও একই বা মিল নামের প্রার্থী দাঁড় করানোর নজির রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এতে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তবে এখন অনেক ভোটারই প্রতীক দেখে ভোট দেন, তাই প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।”
তবে, এখনও পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের তরফে এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, বিধি না ভাঙলে একই নামের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে লড়তেই পারেন। সব মিলিয়ে, ‘তিন কৃষ্ণেন্দু’-কে ঘিরে আসানসোল উত্তরের ভোটের লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ হল বলেই মনে করছেন অনেকে।









