অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: জাতীয় যুব দিবসে মন খুলে খেলা আর খাওয়াদাওয়ায় মাতল কোরক হোমের আবাসিকেরা। সোমবার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলায় অংশ নিল বাছাই হওয়া খুদে ক্রীড়াবিদেরা। দুপুরের একাধিক লোভনীয় পদেরও আয়োজন করে হোম কর্তৃপক্ষ।
মোবাইলে আসক্তির কারণে যেখানে সাধারণ শিশু-কিশোরদের বড় অংশেরই মাঠমুখী হতে অনীহা, সেখানে হোমের ছবিটা ভিন্ন। টিভি-মোবাইলে বিধিনিষেধ থাকায় অবসরের সময়ের একাংশ হোমের মাঠেই কাটায় তারা। গত শুক্র থেকে রবিবার পর্যন্ত চলা ‘হিট’ থেকে বাছাই হওয়া আবাসিকেরা এ দিন মোট ২৫টি ইভেন্টের চূড়ান্ত পর্যায়ে অংশ নেয়।
এ দিন সকালে জাতীয় পতাকা ও কোরকের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন, মার্চ পাস্ট ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে ক্রীড়াযজ্ঞের সূচনা করেন জেলা শিশু সুরক্ষা আধিকারিক সুদীপ ভদ্র, হোম সুপার গৌতম দাস-সহ বিশিষ্টজনেরা। কোরক হোমে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, স্বামী বিবেকানন্দ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও নেতাজী সুভাষচন্দ্রের নামে চারটি হাউজ রয়েছে। ৮০ জন আবাসিকই কোনও না কোনও হাউজের হয়ে ক্রীড়াযজ্ঞের প্রারম্ভিক পর্বে অংশ নেয়। চূড়ান্ত পর্যায়ের খেলা উপলক্ষ্যে হোমের ময়দানকে সুন্দর করে সাজিয়ে তোলেন কর্তৃপক্ষ।

দুপুরের মেনুতে ছিল ভাত, ভেজ ডাল, বাঁধাকপি-মটরশুঁটির তরকারি, কাতল ভাঁপা, চাটনি,পাপড়। হোম সুপার গৌতম দাস বলেন, “মোবাইল ব্যবহারে বিধিনিষেধের কারণে আমাদের আবাসিকদের খেলাধূলোর প্রতি ভালো আগ্রহ রয়েছে। আমরাও ওদের উৎসাহ দিই। অনেকের মধ্যেই প্রতিভা রয়েছে। আমরা চাই, তা বিকশিত হোক।”










