প্রতীকী ছবি
উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরের উচ্ছেপোতা এলাকায় ঘটল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। ১৩ লক্ষ টাকা না পেয়ে মায়ের মাথা ফাটিয়ে দিল ছেলে। অভিযোগ, ওই ঘটনার পর থানায় গিয়ে নিজের ছেলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের করেছেন মা। বর্তমানে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম কমলেশ সর্দার। বাবা বাবলু সর্দার এবং মা গীতা সর্দার পেশায় সবজি বিক্রেতা। একমাত্র ছেলে কমলেশ ইলেকট্রিক মিস্ত্রি। পরিবারের অভিযোগ, ছেলের চরিত্র ক্রমেই বদলে যাচ্ছিল, এবং দীর্ঘদিন ধরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে উঠেছিল।
দিন কয়েক আগে বাড়ির ছাদ ঢালাইয়ের সময় কমলেশ নাকি ৩ লক্ষ টাকা সাহায্য করেছিলেন। সেই টাকা ফেরত না পেয়ে সম্প্রতি তিনি বাবা-মায়ের কাছে আরও ১৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন। গীতা দেবী জানান, ওই অঙ্কের টাকা দেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয় বলেই স্পষ্ট জানিয়ে দেন তিনি। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে কমলেশ, এবং চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে।
অভিযোগ, মারধরের সময় গীতা দেবীর মাথা ফেটে যায় এবং বাবলু সর্দারও জখম হন। স্থানীয়রা আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে গীতা দেবীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি।
ঘটনার পর নরেন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গীতা দেবী। পুলিশ জানিয়েছে, কমলেশ সর্দারের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।










