Home / খবর / জেলায় জেলায় / কোরক হোমে নিজের হাতে মণ্ডপ, সরস্বতী পুজোয় সামিল মায়ানমার-নেপালের আবাসিকেরাও

কোরক হোমে নিজের হাতে মণ্ডপ, সরস্বতী পুজোয় সামিল মায়ানমার-নেপালের আবাসিকেরাও

অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: খেলা, মেলা মিটতেই নতুন ব্যস্ততা। সরস্বতী পুজোর মণ্ডপ, অন্দরসজ্জার কাজে নেমে পড়েছে শহরের রেসকোর্স পাড়ায় অবস্থিত কোরক হোমের আবাসিকেরা। এই প্রথম সরস্বতী পুজোয় সামিল হবে মায়ানমার, নেপালের আবাসিকেরাও। পুজোর দিনে থাকে খাওয়াদাওয়া, একাধিক কর্মসূচিও।

কোরক মেলাকে সফল করতে নিরলস কাজ করে হোমের আবাসিকেরা। হোমের বার্ষিক ক্রীড়াতেও অংশ নেয় তারা। এ বারে নতুন দায়িত্ব। বিগত সময়েও ঘটা করে বাগদেবীর আরাধনা করে আবাসিকেরা। সঙ্গে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। এ বছর ইতিমধ্যেই মণ্ডপসজ্জার কাজ শুরু করে দিয়েছে হোমের একাংশ আবাসিক। বহিরাগত ডেকোরেটর নয়, যাবতীয় কাজ করছে হোমের অপেক্ষাকৃত বড় আবাসিকেরা। বর্তমানে এই হোমে ৭৮ জন আবাসিক রয়েছে। নেপাল, মায়ানমার, বাংলাদেশ, পাকিস্তানের জনাকয়েক শিশু-কিশোরেরও ঠাঁই হয়েছে এই হোমে। তারাও সামিল হয়েছে বাগদেবীর আরাধনায়। হোমের মূল ভবনের সামনেই প্রকাণ্ড মাঠ। এই মাঠেই সরস্বতী পুজোর মণ্ডপ তৈরি করছে তারা।

আবাসিকদের একাংশের দাবি, শুধু প্রতিমাই বাইরে থেকে আনা হচ্ছে। বাকি সব কাজ তারা একাধিক দলে বিভক্ত হয়ে করছে। তাদের তালিকা অনুযায়ী বাজার থেকে উপকরণ এনে দিচ্ছেন হোমের কর্মীরা। বয়সে ছোট আবাসিকেরা যেমন পারছে এগিশে এসেছে পুজো প্রস্তুতিতে। আবাসিকদের দাবি, পুজোর আয়োজনে হোম কর্তৃপক্ষ কোনও ত্রুটি রাখেনি।

এক আবাসিক বলে, “গত বছর থেকে আমরা নিজেরাই ছোট ও মাঝারি মণ্ডপ তৈরি করছি বিভিন্ন অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে। এ বারে সরস্বতী পুজোর মণ্ডপও নিজে হাতে আমরাই তৈরি করছি। ওই দিন আমাদের অনেকেই উপাস করে পুষ্পাঞ্জলি দেবে।”

হোম সুপার গৌতম দাস বলেন, “ওরা যখন যা উপকরণের কথা বলছে, আমরা তা এনে দিচ্ছি। পুজো শেষে ভোগ প্রসাদ দেওয়া হবে সবাইকে। বিকেলের দিকে বেশ কিছু ইভেন্ট রেখেছে আবাসিকেরা। আমরা ওদের সহায়তা করছি শুধু।”

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *