ছবি: বুবাই শীল
অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: শহরের আবর্জনাতেই লক্ষীলাভ হবে কৃষকদের।
শহর লাগোয়া বালাপাড়ার ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ পুরোদস্তুর শুরু হলেই উপকৃত হবেন কৃষিজীবী ও বাগানপ্রেমীরা। পচনশীল বর্জ্য থেকে বিপুল পরিমাণ সার তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে পুরসভা। সেই সার ন্যূনতম দামে পাবেন কৃষিজীবিরা। বর্তমানে ওই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ জোর কদমে চলছে বলে দাবি পুর কর্তৃপক্ষের। ইতিমধ্যেই ভার্মি কমপ্লেক্সে সামান্য পরিমাণ সার তৈরি হচ্ছে।
শহর লাগোয়া তিস্তাপারের বালাপাড়ায় ডাম্পিং গ্রাউন্ড তৈরি নিয়ে এক সময় স্থানীয়দের একাংশের বাধাদানের ফলে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এখন সে সব অতীত। বর্তমানে ওই ডাম্পিং গ্রাউন্ডের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ করছে পুরসভা। শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের গৃহস্থালি-সহ সব ধরণের আবর্জনা ফেলা হয় ওই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। ওখানে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্প পুরোদস্তুর চালু হলে পচনশীল বর্জ্যকে আলাদা করে নিয়ে জৈব সার তৈরি করবে পুরসভা। বর্তমানে ওই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে যাওয়ার রাস্তা, সীমানা প্রাচীর নির্মাণ-সহ একাধিক কাজ চলছে।
ডাম্পিং গ্রাউন্ডের দায়িত্বে থাকা ফয়জুল ইসলাম বলেন, “পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ৪০ দিনের মধ্যেই পচনশীল বর্জ্য থেকে জৈব সার তৈরি করা যাবে। এই সার প্রয়োগে ফুল, শাক-সব্জি চাষে ভালো ফল পাওয়া যাবে।”

সন্দীপ মাহাতো
পুরসভার তরফে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট পুরোপুরি চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে বলে দাবি হবু উপ-পুরপ্রধান সন্দীপ মাহাতোর। তিনি বলেন, “বরাদ্দকৃত অর্থে রাস্তা, প্রাচীরের কাজ শুরু চলছে। সুসংহত ভাবে পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্য আলাদা করা হবে। সলিড ওয়েস্ট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ চালু হলে সার তৈরি করা হবে। পুরসভাও লাভবান হবে।”










