আসানসোলের শীতলায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া বিজেপির জেলা কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।
এই সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি আসানসোল সাংগঠনিক জেলার জেলা সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য, আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্য সহ-সভাপতি অগ্নিমিত্রা পাল, কুলটির বিধায়ক ডঃ অজয় পোদ্দার, পান্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি উপস্থিত ছিলেন।
এই সাংবাদিক সম্মেলনে দেবতনু ভট্টাচার্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৭ এবং ১৮ জানুয়ারি বাংলা সফরে আসছেন। ১৭ জানুয়ারি তিনি মালদহে একটি সভা করবেন। এর পরের দিন ১৮ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সিঙ্গুরে একটি সভা করার কথা । এই দুদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও অনেক ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। তিনি আরও বলেন, এর থেকে বোঝা যায় যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলার উন্নয়নের জন্য কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজ্য সরকার তথা রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বারবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে হওয়া কেন্দ্রের উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নমূলক কাজ বন্ধ করতে পারবে না।
মালদা এবং সিঙ্গুর থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উদ্বোধন করা ট্রেনগুলি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, এগুলো হবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। যাতে বিমানের মতো সুবিধা থাকবে। বিধায়ক আরও বলেন, আগে কেউ কল্পনাও করতে পারতেন না যে, একজন মধ্যবিত্ত ব্যক্তি বন্দে ভারতের মতো ট্রেনে উঠতে পারবেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তা করে দেখিয়েছেন।
এই ট্রেনগুলিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তি সম্পূর্ণরূপে দেশীয় প্রযুক্তি।
অগ্নিমিত্রা পাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সর্বদা মেক ইন ইন্ডিয়া এবং স্বনির্ভর হওয়ার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলা সফরের সময় উদ্বোধন করা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনগুলি এর প্রমাণ। একই সাথে জিতেন্দ্র তিওয়ারি এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, বারবার বলা হচ্ছে যে বাংলার অনেক স্টেশনে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে এটাও দেখতে হবে যে, রেল কেবল একটি শহরকে মাথায় রেখে ট্রেন চালাতে পারে না। তাদের সবকিছু ঠিক করতে হয়। তাদের দেখতে হয় যে সেই এলাকায় ট্রেন চালানোর চাহিদা কতটা আছে। যদি কোথাও সত্যিকারের প্রয়োজন হয় তবে রেল অবশ্যই তা বিবেচনা করে ও ব্যবস্থা নেয় ।










