Home / খবর / জেলায় জেলায় / ডাকঘরে তালা, ক্ষোভের আঁচ পেয়ে “পালিয়েই” গেলেন আধিকারিক

ডাকঘরে তালা, ক্ষোভের আঁচ পেয়ে “পালিয়েই” গেলেন আধিকারিক

আসানসোল : একপ্রকার পালিয়েই গেলেন আসানসোল ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট অফিসেস কৌশিক রায়।

সদ্য বন্ধ করে দেওয়া চিত্তরঞ্জন আমলাদহি পোস্ট অফিসের দরজায় বিক্ষুব্ধ মানুষজন তালা লাগিয়ে দিয়েছেন খবর পেয়ে তিনি সরেজমিনে তদন্ত করতে আসছিলেন। বিকেল সাড়ে চারটেয় তিনি আসানসোল থেকে রওনা দেন। সেইমতো খবর আসে আমলাদহি পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টারের কাছে। তার জন্য পোস্টমাস্টার এবং পোস্ট অফিসের কর্মীরা অপেক্ষা করে ছিলেন। এলাকায় তার আসার খবর রটে যাওয়ায় বন্ধ ডাকঘরের সামনে বহু সাধারণ মানুষ জড়ো হন।

বিক্ষুব্ধ মানুষজন হঠাৎ ডাকঘরটি বন্ধ করার কারণ জিজ্ঞাসা করবেন বলে অপেক্ষা করছিলেন। ‌ এদিকে মানুষজনের জড়ো হওয়ার খবর সূত্র মারফত পেয়ে যান কৌশিক বাবু। ফলে তিনি হিন্দুস্তান কেবলস পোস্ট অফিস এবং তারপর আমলাদহি ডাকঘরে না এসে চলে যান সোজা চিত্তরঞ্জনের মুখ্য ডাকঘরে। ‌

পরিস্থিতির খবর নিতে থাকেন প্রতিমুহূর্তে পোস্টমাস্টারের সাথে ফোনের মাধ্যমে। তবে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত তিনি সেখানে আর আসেননি। ‌ শেষ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট পোস্টমাস্টার চলে যান। ‌ সাধারণ মানুষও আবার আন্দোলনের প্রতিজ্ঞা নিয়ে ফিরে যান। ‌

প্রসঙ্গত, ১২ জানুয়ারি আসানসোল ডিভিশনের পোস্ট অফিসের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট আমলাদহি ডাকঘরকে চিত্তরঞ্জন মুখ্য ডাকঘরের সাথে মিশিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। সেইমতো ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত কাজ হয়ে ২২ জানুয়ারি আমলাদহি ডাকঘরের পরিষেবা বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। ‌ কিন্তু ২১ জানুয়ারিই ডাকঘরের পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ‌ গ্রাহকেরা ডাকঘরে এসে নিরাশ হয়ে ফিরে যান। ‌ তাদের সামনেই ডাকঘরের আসবাবপত্র সহ অন্যান্য সরঞ্জাম উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। ‌

এরপরই উপস্থিত মানুষজন বিক্ষুব্ধ হয়ে এই ডাকঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে সিএলডব্লু লেবার ইউনিয়ন লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যায়।
এরপর এখন দেখার ডাকঘর কর্তৃপক্ষ কি সিদ্ধান্ত নেন।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *