Home / খবর / জেলায় জেলায় / সুন্দরবনের বিদ্যাধরী নদীর চরে ভাসমান জেটির দাবি বিধায়কের

সুন্দরবনের বিদ্যাধরী নদীর চরে ভাসমান জেটির দাবি বিধায়কের

উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: ভাটার সময় কাদা মাড়িয়ে নৌকায় ওঠার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সুন্দরবনের বিদ্যাধরী নদীর তীরে নতুন ভাসমান জেটি তৈরির আবেদন জানালেন বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। বাসন্তী ব্লকের জ্যোতিষপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাধারানিপুর জেটিঘাটের দীর্ঘদিনের সমস্যার কথা তুলে ধরে তিনি পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছেন।

রাধারানিপুর জেটিঘাটে ভাটা পড়লেই নিত্যযাত্রীদের গোড়ালি সমান কাদা পেরিয়ে নৌকায় উঠতে হয়। বছরের পর বছর ধরে একই পরিস্থিতি চললেও সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ঘাটের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ, মহিলা ও অসুস্থ যাত্রীদের জন্য এই যাতায়াত বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

সম্প্রতি ওই এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল। এরপরই তিনি বিদ্যাধরী নদীর তীরে একটি আধুনিক ভাসমান জেটি নির্মাণের প্রস্তাব দেন। এ প্রসঙ্গে বিধায়ক জানান, এলাকায় ভাসমান জেটি অত্যন্ত জরুরি। পরিবহণ মন্ত্রী বিষয়টিতে সম্মতি দিয়েছেন এবং খুব শীঘ্রই অর্থ বরাদ্দ হবে বলে তিনি আশাবাদী।

এই রাধারানিপুর জেটিঘাট থেকে গোসাবার আমলামেথি, বালি ১ ও ২ পঞ্চায়েত-সহ বিস্তীর্ণ দ্বীপাঞ্চলে যাতায়াত করা যায়। প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মানুষ এই ঘাট ব্যবহার করেন। জোয়ারের সময় যাতায়াত তুলনামূলক সহজ হলেও ভাটার সময় চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় যাত্রীদের।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত উন্নতমানের ভাসমান জেটি তৈরি হলে এই সমস্যা অনেকটাই মিটবে। কবে এই জেটি বাস্তবে চালু হবে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন সুন্দরবনের সাধারণ মানুষ।

alternatetext
Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *