অভিষেক সেনগুপ্ত, জলপাইগুড়ি: দীর্ঘদিনের দাবিপূরণে অবশেষে স্বস্তি। গদাধর ক্যানেলের ওপর দ্বিতীয় পাকা সেতু হওয়ায় যাতায়াত নিয়ে আর সমস্যায় পড়তে হবে না শহর লাগোয়া খড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সানুপাড়ার বাসিন্দাদের বড় অংশকেই। অ্যাপ্রোচ রোডের কাজও শেষ হয়েছে৷ যাতায়াত শুরু হওয়ায় খুশি এলাকাবাসী।
ফি দিন সানুপাড়া থেকে কোরানি পাড়া হয়ে শহরের পার্কের মোড়, পাণ্ডাপাড়া, কদমতলা-সহ একাধিক জায়গায় যেতেন সানুপাড়ার বাসিন্দারা। অনেকে আবার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের আদরপাড়ার রাস্তা ধরে অঞ্চল অফিস-সহ ওই সব এলাকায় কাজে যেতেন। অনেকটা ঘুরপথ হওয়ায় সময় আর অর্থের অপচয় নিয়ে সরব ছিলেন বাসিন্দাদের একাংশ। এখন সমস্যার সমাধান হওয়ায় হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন সবাই।
স্থানীয়দের একাংশ জানান, শহর লাগোয়া এলাকা হলেও সানুপাড়ায় পর্যাপ্ত উন্নয়ন হয়নি। কাজের সূত্রে অনেককেই প্রতিদিন পাণ্ডাপাড়া, অঞ্চল অফিস-সহ একাধিক জায়গায় যেতে হয়৷ এলাকার পড়ুয়াদের একাংশ পাণ্ডাপাড়ার একাধিক স্কুলে পড়াশোনাও করে। গন্তব্যে পৌঁছতে সবাইকেই ঘুরপথ নিতে হত। টোটো ভাড়াও বেশি গুনতে হত। সময়ও বেশি লাগত।
স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকা লাগোয়া গদাধর ক্যানেলের উপরে আরেকটি পাকা সেতুর দাবি জানিয়ে আসছিলেন। স্থানীয়রা দ্বারস্থ হন পঞ্চায়েত সদস্য গণেশ ঘোষের। অঞ্চল অফিস ও সেচ দফতরে যোগাযোগ করেন ওই জন প্রতিনিধি।

গণেশ ঘোষ, পঞ্চায়েত সদস্য, সানুপাড়া
গণেশ বলেন, “বেশ কয়েকবার আবেদন জানানোর পরে কংক্রিটের ছোট সেতু ও অ্যাপ্রোচ রোড করা হয়েছে। এই এলাকায় নিম্ন আয়ের পরিবারের সংখ্যাই বেশি।স্থানীয়দের খুব সুবিধা হল।”










